Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
তন্ময় ভট্টাচার্য

মাস্কহীন হাঁচিতে বিপত্তি, হাতাহাতির জেরে পিস্তল উঁচিয়ে তেড়ে গেলেন বিধায়কের দেহরক্ষী

বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য়ের দেহরক্ষীকে ঘিরে তুলকালাম আমডাঙায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১০:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২০, ১০:৪৫

options
link
মাস্কহীন হাঁচিতে বিপত্তি, হাতাহাতির জেরে পিস্তল উঁচিয়ে তেড়ে গেলেন বিধায়কের দেহরক্ষী zoom

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য: করোনার আতঙ্কের মধ্যেই ‘মাস্কহীন হাঁচি’! সেই হাঁচিতেই তুলকালাম। হাতাহাতি। পিস্তল বার করে তেড়ে যাওয়া। আর একটু হলেই গণপিটুনিরও উপক্রম হতে যাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত অবশ্য কোনওক্রমে পরিস্থিতি শান্ত হয়। কিন্তু তার আগে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় আমডাঙায়।

ঘটনার সূত্রপাত সামান্য একটি হাঁচিকে ঘিরে। বৃহস্পতিবার আমডাঙা বিডিও অফিস ডেপুটেশন দিতে যান বাম নেতৃত্ব। সেখানে হাজির ছিলেন উত্তর দমদমের বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য। একটু দূরে গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর দেহরক্ষী। তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান এক যুবক। তাঁর মুখে মাস্ক ছিল না। হঠাৎই তিনি হাঁচেন। এ নিয়ে ওই দেহরক্ষীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি বেধে যায় ওই যুবকের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: নবীন-প্রবীণ বিবাদ চরমে বিজেপিতে, দিলীপের সামনেই হাতাহাতি দলীয় কর্মীদের]

অভিযোগ, এর পর ওই যুবক কয়েকজনকে জুটিয়ে দেহরক্ষীকে মারধর দিতে আসে। যুবকটিকে নিরস্ত করতে ওই দেহরক্ষী তাঁর সার্ভিস পিস্তল বের করেন। স্থানীয়দের বক্তব্য, দেহরক্ষী সাধারণ পোশাকে ছিলেন। হঠাৎই তাঁর হাতে পিস্তল দেখে স্থানীয়রা দুষ্কৃতী বলে মনে করেন। স্থানীয়রা ঘিরে ফেলেন। ওই দেহরক্ষী ভিড়ের দিকে পিস্তল তাক করে এগিয়ে যান। মারমুখী হয়ে ওঠে জনতা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত দেখে একটু দূরে থাকা বাম নেতারা দ্রুত চলে আসেন। আসে পুলিশও। ফলে বড় অঘটন হয়নি।

তন্ময়বাবু জানান, “ভুল বোঝাবুঝির জেরেই গোলমাল। বিডিও অফিস ডেপুটেশনে কর্মসূচি শেষ করে পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। আমার দেহরক্ষী গাড়ির কাছে ছিলেন। ওঁর কাছ থেকে জানতে পেরেছি, এক যুবক পাশে এসে হেঁচেছিলেন। তাঁর মুখে মাস্ক ছিল না। সেকারণে আমার দেহরক্ষী তাঁকে দু-এক কথা বলে। তা নিয়ে বচসা বেধে যায়। ওই যুবক কয়েকজনকে নিয়ে মারতে এলে দেহরক্ষী সার্ভিস পিস্তলটি বের করে এগিয়ে যায়।” তন্ময়বাবুর দাবি, নিজের আত্মরক্ষার জন্যই তাঁর দেহরক্ষী এই কাজ করেছেন।

[আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড়ে দুর্গতদের ক্ষতিপূরণের দাবি, এবার জাতীয় সড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি কান্তির]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.