সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার মারে ব্যাপক ক্ষতির মুখে দেশের অর্থনীতি। ভারতের একাধিক শিল্পে মন্দা। লকডাউনের জেরে বিশেষ করে মার খেয়েছে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলি। এই অবস্থায় ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পগুলির দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে টেক সংস্থা গুগল। সম্প্রতি মার্কিন সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, গুগল পে (Google Pay) অ্যাপের মাধ্যমে দেশের কয়েক লক্ষ ক্ষুদ্র শিল্পের ব্যবসায়ীকে ঋণ দিতে রাজি Google। লকডাউনের জেরে ক্ষতির হাত থেকে ব্যবসায়ীদের একটু স্বস্তি দিতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন টেক জায়ান্ট।
Google-এর তরফে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেই ব্যবসায়ীদের অর্থ সাহায্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০১৯ সালে Google Pay-এর বিজনেস অ্যাপের সূচনা হয়। তারপর থেকে ভারতের ৩০ লক্ষ ব্যবসায়ী এই বিজনেস অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করেছেন। Google জানিয়েছে, ভারতে সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প রয়েছে। সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বিশ্বের প্রায় ১৫ কোটি গ্রাহক ও ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতি মাসে যোগাযোগ করা হয়। ফোন বা অনলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে।
[আরও পড়ুন: ঘৃণা ছড়ানো রুখতে উদ্যোগ, এবার বিকৃত পোস্ট চিহ্নিত করবে ফেসবুক]

ভারতে গত ২৫ মার্চ প্রথম লকডাউন ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে দফায় দফায় চারবার লকডাউনের মেয়াদ বেড়েছে। এই তিন মাসে বিভিন্ন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের শিল্প ও অর্থনীতি। এই অবস্থায় ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের ঋণ দিয়ে ভারতের ক্ষুদ্র শিল্পে দখল বাড়াচ্ছে Google। পাশাপাশি চলতি মাসে H-1B ও L1 ভিসা বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে আমেরিকার ট্রাম্প প্রশাসন। যার বিরোধিতা করেছে Google, Apple, Facebook, Amazon-এর মতো সংস্থাগুলি। এই ভিসা ব্যানের জেরে সমস্যায় পড়তে চলেছেন বহু ভারতীয়।
[আরও পড়ুন: এবার অ্যাপের মাধ্যমেই ব্লাড ব্যাংক থেকে অর্ডার করুন রক্ত, করোনা আবহে নয়া উদ্যোগ কেন্দ্রর]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন