সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। মুখে হাজারো না থাকলে সংক্রমণ রোধে সেই লকডাউনের পথেই হাঁটতে হল উদ্ধব ঠাকরের সরকারকে। ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হল লকডাউনের মেয়াদ।
শেষ হয়েও হইল না শেষ। সংক্রমণের মাত্রা দেখে কয়েকদিন আগে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য লকডাউনের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে তাদের মতো লকডাউনকেই একমাত্র পথ হিসেবে মেনে নিতে চাননি উদ্ধব ঠাকরের সরকার। কিন্তু শেষে সেই পথেই হাঁটতে হল জোট সরকারকে। পশ্চিমের রাজ্যে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হল লকডাউনের মেয়াদ। এই মর্মে ‘ফের শুরু হল মিশন’ (Mission Begin Again) নামে সরকারের তরফ থেকে নতুন করে নির্দেশিকা জারি করা হয়। সরকারের প্রকাশিত নতুন নির্দেশগুলির মধ্যে হল-
- অনাবশ্যকীয় কাজের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
- জনসাধারণের যাতায়াতে নিয়ন্ত্রণ লাগু করা হবে।
- স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা হবে
- কেবলমাত্র অত্যাবশ্যকীয় কাজের ক্ষেত্রেই মানুষ বাড়ির বাইরে বেরতে পারবেন।
- বাইরে বের হলে মাস্ক পরা আবশ্যিক।
- সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রাখতে হবে ও ব্যক্তিগত স্বচ্ছতার ক্ষেত্রেও নজর দিতে হবে।
- জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে।
- চিকিৎসা পরিষেবা পেতে কেউ বাড়ি থেকে বের হলে তাঁকে বাধা দেওয়া হবে না।
- ওষুধের দোকান-সহ জরুরি পণ্যের দোকান, ফুড ডেলিভারি সংস্থা খোলা থাকবে।
- সমস্ত সরকারি দপ্তর খোলা রাখা হবে।
- রাজ্যের বেসরকারি অফিসগুলিতে ১০ শতাংশ লোক নিয়ে কাজ করতে হবে।
[আরও পড়ুন:চিনকে পালটা দিতে তৈরি ভারত, জুলাইতেই বায়ুসেনার হাতে আসছে রাফালে যুদ্ধবিমান]
রবিবারই উদ্ধব ঠাকরে কড়া সুরে জানিয়েছিলেন যে, সংক্রমণের মাত্রা যতই বৃদ্ধি হোক তার রাজ্যে লকডাউন জারি করা হবে না। তাই সুস্থ থাকতে রাজ্যের মানুষকে আনলকেই লকডাউনের বিধি কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই একেবারে উলটো সুরে কথা বলে লকডাউন ঘোষণা করলেন তিনি। তাঁর কথায়, “গত ১৫ দিনে সাবধানতার সঙ্গে লোকাল ট্রেন, দোকান, অফিস খোলার অনুমতি দেওয়া হয়। খুব ধীর গতিতে সব কিছু ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু ক্রমেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া রাস্তার বের হবেন না।”