বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: দেশজুড়ে এখনও করোনার গ্রাফ যথেষ্ট উর্ধ্বমুখী। তারই মাঝে এল সুখবর। করোনাকে জয় করলেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য (Ashok Bhattacharya)। বৃহস্পতিবার আবারও করোনা পরীক্ষা করা হয় তাঁর। সেই রিপোর্টেই বিধায়কের করোনা মুক্তির খবর জানা যায়। তবে এখনও হাসপাতালেই থাকতে হবে তাঁকে।
জুনের মাঝামাঝি সময় থেকেই জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগছিলেন তিনি। জানা গিয়েছিল তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছিল। তবে তিনি করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধে। তাই তাঁর কোভিড টেস্ট করা হয়। সেই সময় তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। তাই মাটিগাড়ার নার্সিংহোমে আবারও তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। রিপোর্ট আসার পরই জানা যায় তিনি করোনা আক্রান্ত। সেকথা জানার পরই মাটিগাড়ার নার্সিংহোম থেকে তাঁকে কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। লকডাউনের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে বহু কনটেনমেন্ট জোনেও ঘুরেছেন তিনি। তাই সেখান থেকেই তাঁর করোনা সংক্রমণ হয় বলেই অনুমান অনেকের। বিধায়কের শারীরিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন রাজনৈতিক নেতানেত্রীরাও। খবর পাওয়ামাত্রই পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) তাঁকে ফোনও করেন। শারীরিক অবস্থা নিয়ে দু’জনের কথাও হয়।
[আরও পড়ুন: নেশার টাকা না পেয়ে মাকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, নিজেই প্রতিবেশীদের খবর দিল ‘গুণধর’]
অশোক ভট্টাচার্যের বৃহস্পতিবার আবার করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্ট আসার পরই মিলেছে স্বস্তি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আপাতত বিধায়কের অবস্থা যথেষ্ট স্থিতিশীল। তিনি খাবারও খাচ্ছেন। তবে এখনই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া যাবে না। আপাতত বেশ কয়েকদিন চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানেই থাকতে হবে অশোক ভট্টাচার্যকে।