সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণের মাত্রা। হাজারো নিয়মের বেড়াজাল বানিয়েও রোখা যাচ্ছে না মারণ ভাইরাসের গতিবিধিকে। তাই সংক্রমণের মাত্রা রোধে খোলা হচ্ছে না তাজমহল-সহ (Taj Mahal) আগ্রার বাকি স্মৃতিসৌধগুলি।
কথা ছিল আনলকের দ্বিতীয় পর্বে দেশকে আরও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো হবে। খুলে দেওয়া হবে তাজমহল-সহ আগ্রার অন্যান্য স্মৃতিসৌধগুলি (Monument)। চাঙ্গা করা হবে দেশের পর্যটন শিল্পগুলিকে। কিন্তু কোথায় কী! যে হারে সংক্রমণ বাড়ছে তা দেখে রীতিমতো উদ্বেগে চিকিৎসকরা। আনলকের দ্বিতীয় পর্বে যেন লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে রোজই নয়া রেকর্ড গড়ছে দেশ। এমতাবস্থায় জনসাধারণের প্রাণের ঝুঁকি নিতে নারাজ যোগী সরকার। তাই রবিবার রাতে নয়া গাইডলাইন প্রকাশ করে আগ্রার সকল স্মৃতিসৌধ বন্ধ রাখারই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তবে কতদিনের জন্য এই স্মৃতিসৌধগুলি বন্ধ রাখা হবে সেই বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। রবিবার রাতেই স্মৃতিসৌধগুলির সামনে হিন্দিতে একটি নোটিস লিখে রাখা হয়। সেখানে বলা হয় যে, জনসাধারণের স্বার্থেই আগ্রার স্মৃতিসৌধগুলি বর্তমানে পর্যটকদের জন্য খোলা হবে না। তাজমহলের আশেপাশের এলাকা সংক্রমিত হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় সেখানকার হোটেল, দোকান সবই আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
[আরও পড়ুন:আর বিনামূল্যে মিলবে না করোনা পরীক্ষার সুযোগ, সিকিমে এবার নতুন নিয়ম]
দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমে বাড়তে থাকায় এই মুহুর্তে পর্যটনশিল্পে অনুমতি দেওয়ার অর্থ সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঢেলে দেওয়া। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহান্তে মাত্র একদিনেই অতীতের সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে দেশে ২৪ হাজার ৮৫০ জন করোনায় আক্রান্ত হন। এমনকী বিশ্বে আক্রান্তের পরিসংখ্যানের নিরিখে রাশিয়াকে (Russia) ছাপিয়ে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ভারত। ইতিমধ্যেই সংক্রমণ রোধে তাজমহলের পার্শ্ববর্তী কন্টেনমেন্ট জোন, সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেই স্থানে লকডাউনের কড়া নিয়ম পালন করা হচ্ছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া এলাকাগুলিতে প্রায় সবই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সংক্রমণের শেষ কোথায়? সেই উত্তর সকলেরই অজানা।