বাবুল হক, মালদহ: সহবাসের পর বিয়েতে বেঁকে বসেছিল প্রেমিক। জোর করতেই প্রেমিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ‘ধর্ষণ’ করল যুবক। গোটা বিষয়টি জানিয়ে নির্যাতিতা পুলিশের দ্বারস্থ হতেই তাঁকে খুনের হুমকি দিতে শুরু করে অভিযুক্ত। অবশেষে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহে (Maldah)।
জানা গিয়েছে, মালদহের কালিয়াচকের বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয় দুইশতবিধি গ্রামের চন্দন মণ্ডলের। পরিচয় থেকে একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল তাঁরা। এরপরই তরুণীর বাড়িতে অবাধ যাতায়াত শুরু হয় ওই যুবকের। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার প্রেমিকার সঙ্গে সহবাসও করে চন্দন। এরপর বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসে সে। পরবর্তীতে বিয়ের জন্য ১ লক্ষ টাকা পণও নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিয়ে সে করেনি। এরপর তরুণী চাপ দিতে শুরু করে চন্দনকে। অভিযোগ, তখনই মুখে কাপড় গুঁজে প্রেমিকাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় চন্দন। ধর্ষণ করে প্রেমিকাকে।
[আরও পড়ুন: কোভিড রোগীর মৃত্যুর পর ধাপে ধাপে প্রায় সাড়ে ৯ লক্ষের বিল ধরাল নার্সিংহোম! ক্ষুব্ধ পরিবার]
পরে গোটা বিষয়টি জানিয়ে কালিয়াচক থানায় অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার। অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি জানাজানি হতেই তরুণী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের খুনের হুমকি দিতে শুরু করে চন্দন। সব জেনেও পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলেই অভিযোগ নির্যাতিতার। এরপরই বাধ্য হয়ে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হন তরুণী। পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নারী শিশু কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান চৈতালী সরকার বলেন, “ঘটনাটি নিন্দনীয়। খোঁজ খবর নিয়ে পুলিশ যাতে ব্যবস্থা নেয় সেটা আশা রাখি।”
[আরও পড়ুন: ‘অর্জুন সিং ও তাঁর ছেলেকে এনকাউন্টারের চক্রান্ত চলছে, পরিণাম মারাত্মক হবে’, হুমকি কৈলাসের]