সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বচ্চন পরিবারের দুই সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়ে ভরতি হাসপাতালে। আরও সপ্তাহখানেক পর ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা অমিতাভ এবং অভিষেক বচ্চনের। করোনা পজিটিভ হওয়া সত্ত্বেও ঐশ্বর্য রাই বচ্চন (Aishwarya Rai Bachchan) এবং আট বছরের আরাধ্যা এতদিন হোম আইসোলেশনেই ছিলেন। কারণ, তাঁদের মৃদু উপসর্গ ছিল। তবে শুক্রবার রাতে জ্বর আসায় দু’জনকেই মুম্বইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভরতি করাতে হয়। কেমন আছেন তাঁরা? জানতে রাতভর কিছুটা উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা করেছিলেন ঐশ্বর্যর অনুরাগীরা। শনিবার সকাল সকালই মিলল আপডেট। তাঁদের আশ্বস্ত করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাল, মা-মেয়ে দু’জনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।
গত রবিবার ঐশ্বর্য ও বচ্চন দম্পতির ৮ বছরের মেয়ে আরাধ্যার COVID রিপোর্ট পজিটিভ আসে। প্রথমে ব়্যাপিড টেস্ট নেগেটিভ বললেও দ্বিতীয় পরীক্ষা অর্থাৎ সোয়াব টেস্ট করে দেখা যায়, মা-মেয়ের শরীরেও বাসা বেঁধেছে করোনার জীবাণু। সূত্রের খবর, অভিষেক যে ডাবিং স্টুডিওতে গিয়েছিলেন, সেখান থেকেই সংক্রমণ ছড়ায় বলে অনুমান। তবে বচ্চন পরিবারের এতজনের শরীরে করোনা সংক্রমণের মাঝেও কিন্তু ব্যতিক্রমী সত্তরোর্ধ্ব জয়া বচ্চন। তিনি এখনও করোনা নেগেটিভ। এছাড়াও অমিতাভের মেয়ে শ্বেতা বচ্চন নন্দা, নাতি-নাতনিদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।
[আরও পড়ুন: শুটিংয়ের ফাঁকে পড়াশোনা করেও উচ্চ মাধ্যমিকে দারুণ রেজাল্ট ‘রানি রাসমণি’ দিতিপ্রিয়ার]
ঐশ্বর্য ও আরাধ্যা প্রায় উপসর্গহীন করোনা রোগী হওয়ায় আপাতত বাড়িতেই ছিলেন। হোম আইসোলেশনে তাঁদের পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধে থেকে হঠাৎই মা-মেয়ের জ্বর বাড়তে থাকে। তাই আর ঝুঁকি না নিয়ে তাঁদেরও ভরতি করানো হয় নানাবতী হাসপাতালে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মুষড়ে পড়েন প্রাক্তন মিস ওয়ার্ল্ডের অজস্র অনুরাগী।
[আরও পড়ুন: লকডাউনে কাজ খুইয়ে ফুটপাতে পাউরুটি, বিস্কুট বিক্রি করছেন তরুণী সংগীতশিল্পী]
এই হাসপাতালে গত সপ্তাহ থেকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিগ বি ও জুনিয়র বচ্চন। প্রতিদিন নিজেই টুইট করে নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করছেন শাহেনশা (Amitabh Bachchan)। এবার পুত্রবধূ আর নাতনিও একই হাসপাতালে এলেন চিকিৎসার জন্য। শনিবার সকালে নানাবতী হাসপাতালের চিকিৎসকরা ঐশ্বর্য এবং আরাধ্যার শারীরিক পরীক্ষা করে বেশ আশাবাদী। তাঁরা জানিয়েছেন, চিকিৎসায় ভাল সাড়া দিচ্ছেন দু’জন। কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রেখে হয়ত তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।