স্টাফ রিপোর্টার: সপ্তাহে দু’দিন লকডাউন করে কি সত্যিই করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করা সম্ভব? প্রশ্ন কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরির (Adhir Ranjan Chowdhury)। বরং তার বদলে কনটেনমেন্ট জোনে আরও কড়া অনুশাসন ও নজরদারির প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।
অধীর চৌধুরির অভিযোগ, বাংলায় শুধু লকডাউন হচ্ছে। কিন্তু বাকি কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। তাই শুধু এভাবে লকডাউন করে বিশেষ লাভ হবে বলে মনে করছেন না তিনি। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, করোনা (Coronavirus) মোকাবিলায় যাঁরা সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করছে তাঁদের কিছুদিন ডিউটি করার পর ছুটি দেওয়া হোক। নইলে মাসের পর মাস লড়াই করতে গিয়ে তাঁরাও অবসাদে ভুগতে পারেন। কিন্তু ম্যান পাওয়ার কমলে কীভাবে এই পরিস্থিতি
সামাল দেওয়া সম্ভব?
[আরও পড়ুন: পার্ক সার্কাস থেকে মেডিক্যাল কলেজ যেতে ৯০০০ টাকা চাইল অ্যাম্বুল্যান্স! নাজেহাল করোনা আক্রান্তের পরিবার]
অধীর চৌধুরির মতে, এই সমস্ত করোনা যোদ্ধার বদলে রাজ্যে অবসরপ্রাস্ত চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনো করেছেন, এমন ব্যক্তিদের কাজে লাগানো হোক। তাঁর কথায়, শনিবার লকডাউন করে বাকি তিনদিন মানুষ ঘুরে বেড়ালে তাতে লাভ হবে না। সুনির্দিষ্ঠ পরিকল্পনা করে এগোনোর প্রয়োজন। শুধু লকডাউনের বিপক্ষে সওয়াল করার পাশাপাশি পর্যাপ্ত পিপিই, অক্সিজেন, ওষুধ ও হাসপাতালে বেড বাড়ানোর প্রয়োজনের কথাও শোনা যায় তাঁর গলায়।
এদিকে, চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনের লকডাউনে কমল গ্রেপ্তারির সংখ্যা। পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবারের থেকেও শনিবার লকডাউন বেশি করে মেনেছেন কলকাতাবাসী। যদিও এদিনও অকারণে গাড়ি ও বাইক করে অনেককে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। অনেকেই কোনও কারণ ছাড়া বেড়িয়েছেন। এদিন সন্ধে পর্যন্ত লকডাউন না মেনে বাইরে বের হওয়ার অভিযোগে ৭০৩ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত লকডাউনের দিন এই গ্রেপ্তারির সংখ্যা ছিল ৮৮৬। এদিন মাস্ক না পরে বেরনোর অভিযোগে ৩৬৮ জন ও যেখানে সেখানে থুতু ফেলার অভিযোগে ১১ জনকে ধরা হয়। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটি ছিল ৫৫২ ও ৪৮।