Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
COVID-19

আর মাত্র ২ সপ্তাহের অপেক্ষা, করোনার ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসার দাবি রাশিয়ার

প্রতিষেধক তৈরির দৌড়ে তারাই এগিয়ে, দাবি রাশিয়ার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০২০, ১৭:১৬

options
link
আর মাত্র ২ সপ্তাহের অপেক্ষা, করোনার ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসার দাবি রাশিয়ার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার প্রতিষেধকের জন্য যখন অধীর অপেক্ষায় বসে গোটা বিশ্ব। তখনই আশার আলো দেখিয়েছিল রাশিয়া। দাবি করেছিল, করোনা ভ্যাকসিনের প্রয়োগ সফল হয়েছে। এবার আরও এককদম এগিয়ে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহেই প্রতিষেধক সাধারণ মানুষের জন্য বাজারে নিয়ে আসার কথা জানিয়েছে রাশিয়া। দু’সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে বিশ্বে সবথেকে দ্রুত রাশিয়াই করোনার টিকা বাজারে নিয়ে আসবে বলে দাবি করেছে। এমনটাই রিপোর্ট রুশ সংবাদমাধ্যমের।

জানা গিয়েছে, রাশিয়ার সেনা ও সরকারি গবেষকদের হাতে তৈরি এই প্রতিষেধক বর্তমানে ট্রায়ালের দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে। আগামী ১০ আগস্ট বা তার আগেই রাশিয়ার গ্যামেলিয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি এই টিকা বাজারে নিয়ে আসার ছাড়পত্র পেয়ে যাবে বলে জানিয়েছে রাশিয়া। প্রতিষেধকের চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই সর্বপ্রথম ফ্রন্টলাইনে থাকা করোনা যোদ্ধা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর এই টিকা প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে পুতিন প্রশাসন। এই করোনা প্রতিষেধক আবিষ্কারকে ১৯৫৭ সালে বিশ্বের প্রথম অন্তঃরীক্ষে উপগ্রহ উৎক্ষেপণের সঙ্গে তুলনা করেছেন রাশিয়ার অর্থমন্ত্রকের প্রধান কিরিল দিমিত্রেভ। ওই বছরই সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে স্পুটনিক উপগ্রহ পাঠিয়েছিল। অর্থমন্ত্রকের অনুমোদনেই ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থ সরবরাহ করেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অবশেষে আশার আলো! ‘করোনা ভ্যাকসিনে’র ট্রায়াল সফল, দাবি রাশিয়ার]

তবে রাশিয়া এখনও পর্যন্ত ভ্যাকসিনের বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষামূলক ডেটা প্রকাশ্যে আনেনি। তাই প্রতিষেধকের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। আবার দ্বিতীয় ধাপের পর তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা আগস্টের ৩ তারিখ বা তার পর থেকে শুরু হওয়ার কথা। তার সাতদিনের মধ্যে কীভাবে প্রতিষেধক মানুষের ব্যবহারযোগ্য হবে তা নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাশকোর দাবি, তৃতীয় ধাপের ট্রায়াল সফল হলেই বাজারে আনার জন্য তৈরি হয়ে যাবে প্রতিষেধক। জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের জন্য ৮০০ জন স্বেচ্ছাসেবক তৈরি রয়েছেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.