Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পিপিই শান্তনু মৈত্র

রাস্তায় ব্যবহৃত পিপিই ফেলে রেখেছেন করোনা রোগী, ভিডিও শেয়ার করে সবক শেখালেন শান্তনু

শিল্পীর সচেতনতায় মুগ্ধ নেটদুনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ১৩:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ১৩:২৬

options
link
রাস্তায় ব্যবহৃত পিপিই ফেলে রেখেছেন করোনা রোগী, ভিডিও শেয়ার করে সবক শেখালেন শান্তনু zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ দিল্লির অভিজাত এলাকা। সেখানেই থাকেন বলিউড ও বাংলা ইন্ডাস্ট্রির তারকা সুরকার শান্তনু মৈত্র (Shantanu Moitra)। ঠিক সেখানেই রাস্তার উপর এবং বিদ্যুতের তারে ঝুলে থাকা পিপিই দেখে চিন্তায় পড়েছিলেন সচেতন শান্তনু। ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেন তিনি। কলকাজি এলাকার বিধায়ক অতীশি মারলেনা নিজেই শান্তনুর ভিডিও দেখে পুলিশকে খবর দেন। তারপরেই দিল্লি পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে। আর সেই সূত্রে রবিবার অভিযুক্ত এক করোনা রোগীর বিরুদ্ধে মহামারী আইনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

শান্তনুর পোস্ট করা ভিডিওতে অভিজাত আবাসনের বাইরে পিপিই কিট এবং গ্লাভস পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। পিপিই কিটটি ঝুলছে আবাসনের সামনের বিদ্যুতের তারে। পুলিশ জানিয়েছে, করোনামুক্ত হলেই ওই রোগীকে গ্রেপ্তার করা হবে। দক্ষিণ দিল্লির সি আর পার্ক এলাকায় তোলা এক মিনিটের ওই ভিডিও শান্তনু ৩০ জুলাই শেয়ার করেছিলেন। লিখেছিলেন, “এই ভিডিওটি সি আর পার্ক দিল্লি, এ ৯৮-এর। এখানে অনেক প্রবীণ নাগরিক থাকেন। এটা ভয়ংকর হতে পারে। দয়া করে এই বিষয়টা জরুরি ভিত্তিতে দেখুন।” এর সঙ্গে ট্যাগ করে দিয়েছিলেন আপ সরকারকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা কেড়েছে জলসা, দুর্দিনে অর্কেস্ট্রার বেতাজ বাদশার পাশে আসানসোলের মেয়র]

তারপরেই দ্রুত ব্যবস্থা নেয় প্রশাসন। এরপর আবারও টুইটে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শান্তনু মৈত্র। 

[আরও পড়ুন: সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে বাধা? বিহারের তদন্তকারীকে ‘জোর করে’ পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.