Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
করোনা

সংক্রমণ বাড়লেও স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার, রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ী প্রায় ২১০০

একদিনে কলকাতায় প্রাণ হারালেন ২১ জন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২০, ২০:৫০

options
link
সংক্রমণ বাড়লেও স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার, রাজ্যে ২৪ ঘণ্টায় করোনাজয়ী প্রায় ২১০০ zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যতদিন যাচ্ছে, ততই বাড়ছে রাজ্যের সংক্রমিতের সংখ্যা। পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে মৃত্যুও। তবে এর মধ্যেও আশা জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই দিশেহারা হওয়ার কোনও কারণ নেই। সুস্থ হয়ে এ কথাই যেন প্রমাণ করে দিচ্ছেন তাঁরা। নানা বয়সের মানুষই সুস্থ হয়ে উঠছেন সঠিক চিকিৎসায়। তাই তো মোট আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগ বাড়ালেও কয়েনের উলটো পিঠের মতো স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। রাজ্যে করোনাজয়ীর হার বর্তমানে ৭০ শতাংশেরও বেশি।

সোমবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত ২,৭১৬ জন। যা গতকালের তুলনায় সামান্য কম। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই আক্রান্ত ৭৫৬ জন। চিন্তা বাড়াচ্ছে উত্তর ২৪ পরগণার সংখ্যাও। সে জেলায় একদিনে ৫১০ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে ভাইরাস। এর ফলে বাংলায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৮ হাজার ২৩২। টেস্টিং বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে বাংলার মোট অ্যাকটিভ কেস ২১ হাজার ৬৮৩।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের বদলে গেল রাজ্যে পূর্ণ লকডাউনের দিন, জেনে নিন নতুন তারিখগুলি]

তবে এদিন চিন্তার ভাঁজ গভীর করল মৃত্যুর সংখ্যা। এই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ৫০ পেরল। একদিনে করোনার বলি ৫৩ জন। কেবলমাত্র
তিলোত্তমাতেই ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১,৭৩১। তবে করোনাজয়ীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ল। একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ২০৮৮ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ ৫৪ হাজার ৮১৮ জন। সুস্থতার হার ৭০.০৭ শতাংশ।

লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব পালন, মাস্ক-স্যানিটজার কোনও কিছুতেই যেন বাগে আসছে না মারণ ভাইরাস (Coronavirus)। তবে ট্রেসিং, ট্র্যাকিং, টেস্টিংয়ের মাধ্যমেই করোনাতে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। বেড়েছে টেস্টিংয়ের সংখ্যাও। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২২ হাজার ১২২টি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে ৯ লক্ষ ৫৬ হাজার ৬৫৯টি।

[আরও পড়ুন: সংক্রমণের ভয়, ক্যানিংয়ের ২ করোনা যোদ্ধা চিকিৎসকে গ্রাম ছাড়ার নিদান স্থানীয়দের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.