Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
তাইওয়ান

তাইওয়ান দখল হবেই, আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি চিনের সেনাকর্তার

সম্প্রসারণবাদী নীতির জন্য বিশ্বমঞ্চে প্রায় একঘরে চিন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২০, ১৫:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২০, ১৫:৫৩

options
link
তাইওয়ান দখল হবেই, আমেরিকাকে হুঁশিয়ারি চিনের সেনাকর্তার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রসারণবাদী নীতির জন্য বিশ্বমঞ্চে প্রায় একঘরে চিন। যেভাবে হংকংয়ে গণতন্ত্রের ‘ধর্ষণ’ করেছে কমিউনিস্ট দেশটি তা নাৎসিদের কথা মনে করিয়ে দেয়। এবার পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তাইওয়ান নিয়ে সুর চড়িয়েছে বেজিং। লালফৌজের পদস্থ আধিকারিক কর্নেল রেন গুয়োকোয়াং সাফ হুমকি দিয়েছেন, তাইওয়ান (Taiwan) দখল করবে চিন। চাইলেও তা আটকাতে পারবে না আমেরিকা।

[আরও পড়ুন: লাদাখ ইস্যুতে আগ্রাসী চিনকে বার্তা, ভারতের পাশে দাঁড়াল মার্কিন কংগ্রেস]

শনিবার বেজিংয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে গুয়োকোয়াং দাবি করেন, এক চিন (China) নীতি থেক একপাও পিছু হটবে না তারা। তাইওয়ান চিনের অভিন্ন অংশ। সেখান থেকে সার্বভৌমত্বে আঘাত আসলে তাইওয়ান দখল করে নেওয়া হবে। চাইলেও কেউ তা আটকাতে পারবে না। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে ৫০ কোটি ডলারের সামরিক চুক্তি করেছে তাইওয়ান। আর এতেই চটে গিয়ে চিনের এই হুমকি বলে মনে করছেন কূটনৈতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, স্বাধীনতার ভুলে শান্তিপূর্ণভাবে চিনের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার জন্য গতবছর তাইওয়ানকে বার্তা দিয়েছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে মুখে শান্তির কথা বললেও, প্রয়োজনে সামরিক বাহিনীও নামানো হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে, চিনা আগ্রাসনের কড়া জবাব দিতে তৈরি তাইওয়ানও। ‘এক চিন’ নীতির অন্তর্গত তাইওয়ানের উপর দাবি সাব্যস্ত করে এসেছে চিন। তবে বরাবরই বেজিংয়ের আগ্রাসনের কড়া জবাব দিয়েছে স্বশাসিত দ্বীপরাষ্ট্রটি। সম্প্রতি, হংকংয়ে চিনা দমননীতি ও লাদাখে লালফৌজের আগ্রাসনে অশনি সংকেত দেখছে তাইপেই। তাই লালফৌজ হামলা করলে কীভাবে জবাব দেওয়া হবে, সেই কৌশল ঝালিয়ে নিতে চলতি মাসেই সামরিক মহড়া চালিয়েছে তাইওয়ানের সেনার তিন বাহিনী (Army, Navy, Air Force)। এর উদ্দেশ্য চিনা হানাদার বাহিনী হামলা চললে কীভাবে তাদের রুখে দেওয়া হবে, সেই কৌশল আরও খানিকটা ঝালিয়ে নেওয়া। চিনকে সাফ বার্তা দিয়ে মহড়া দেখতে উপস্থিত ছিলেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন। ২০১৬ সালে ক্ষমতায় বসার পর থেকেই চিনের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব নিয়েছেন তিনি। যে কোনও মূল্যে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বজায় রাখা হবে বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: সমাজের প্রতি অবদানের জন্য বিশেষ সম্মান, গান্ধীজির স্মৃতিতে নয়া কয়েন আনতে চলেছে ব্রিটেন]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.