Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Ram Temple

রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর পরই উত্তর ভারতে অশান্তি ছড়াতে ছক কষছে ISI!

ইতিমধ্যে লখনউ-দিল্লির বাসিন্দাদের কাছে উসকানিমূলক ফোনও আসছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ২১:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২০, ২১:১৯

options
link
রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর পরই উত্তর ভারতে অশান্তি ছড়াতে ছক কষছে ISI! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:‌ দেশে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। গত ৫ আগস্ট রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর পর থেকেই উঠেপড়ে লেগেছে পাক গুপ্তচর সংস্থা। ইতিমধ্যে লখনউ–দিল্লির বাসিন্দাদের কাছে উসকানিমূলক ফোনও আসছে। দাঙ্গা বা হিংসা ছড়াতে ওই ফোনগুলোতে নানা ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্যও করা হচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে ভিওআইপি (Voice over Internet Protocol)।

[আরও পড়ুন: বহু কোভিড রোগীর প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন, শেষে করোনাযুদ্ধে হার মানলেন কাশ্মীরি চিকিৎসক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, দুবাই এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন নম্বর থেকে ভিওআইপির সাহায্যে ফোন করে ধর্মীয় উসকানিমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে লখনউয়ের হজরতগঞ্জ পুলিশ স্টেশনে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে শুধু লখনউ নয়, দিল্লিতেও বহু মানুষকে এরকম বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করা হচ্ছে। দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেলের পক্ষ থেকে দেশদ্রোহ, চক্রান্ত-সহ একাধিক অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উসকানিমূলক ফোন আসছে এরকম প্রায় ১২টি ফোন নম্বরের হদিশ মিলেছে। এছাড়া যে অডিও মেসেজগুলো এসেছে তাতে গলার স্বরও এক। তদন্তে যা আরও ভাবাচ্ছে পুলিশ আধিকারিকদের। ওই মেসেজগুলোর প্রত্যেকটিতে রাম মন্দিরের প্রসঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠান পণ্ড করার কথাও বলা হয়েছে। আর এই সব কিছুর পিছনেই রয়েছে আইএসআইয়ের হাত, মনে করছেন আধিকারিকরা।

[আরও পড়ুন: রাম মন্দিরে থাকবে ২১০০ কেজির অষ্টধাতুর ঘণ্টা, সৃজনে সহায়ক মুসলিম কারিগররাও]

তবে এই প্রথম নয়, রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর দিনও পাক গুপ্তচর সংস্থার পক্ষ থেকে অযোধ্যায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে আগেই গোয়েন্দারা সে ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ (RAW) জানিয়েছিল, ওই জঙ্গি হামলার জন্য আফগানিস্থানে লস্কর ও জইশ জঙ্গিদের ট্রেনিং দিয়েছে আইএসআই। অযোধ্যায় হামলা করার জন্য ৩-৫টি জঙ্গি দল পাঠানো হতে পারে। এছাড়াও হামলা হতে পারে দিল্লি ও কাশ্মীরে। ঘটেনি কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতিও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.