সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্ত্রী সাধ করে আলুর তরকারি রেঁধেছিলেন। কিন্তু স্বামীর তা না-পসন্দ। তিনি যে আবার ডায়াবেটিসের রোগী। আলু খাওয়া ডাক্তারের বারণ। সে কথাই বলেছিলেন স্ত্রী-কে। তা শুনেই রণচণ্ডি মূর্তি ধারণ করেন স্ত্রী। জামা-কাপড় সাফাইয়ের ব্যাট এনে স্বামীকে বেধড়ক মার মারতে থাকেন। শেষপর্যন্ত কাঁধের হাড় ভেঙে হাসপাতালে ভরতি স্বামী। স্ত্রীয়ের নামে থানায় অভিযোগও ঠুকেছেন তিনি। আহমেদাবাদের (Ahmedabad) এই ঘটনায় হতবাক পুলিশ কর্মীরাও।
আমদাবাদের ভাসনা এলাকার সরাইনগরের বাসিন্দা ৪০ বছরের হর্ষদ গোহেল। তাঁর চারটি কন্যা রয়েছে। ফি-দিন স্ত্রী তারা গোহেলের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য কলহ লেগেই থাকে। শুক্রবার রাতে হর্ষ তারাকে জিজ্ঞেস করেন, কী রান্না হয়েছে? তারা জানান, তিনি আলুর তরকারি রান্না করেছেন। আর সঙ্গে আছে রুটি। আর এতেই গোল বাধে।
[আরও পড়ুন : জৈব যুদ্ধের নয়া কৌশল? বীজ ভরা ‘রহস্যময়’ পার্সেল পৌঁছে যাচ্ছে বাড়ি-বাড়ি, সতর্ক করল কেন্দ্র]
FIR-এ হর্ষদ জানিয়েছেন, ‘আমি তখনই মানতে চাইনি। তারাকে জিজ্ঞেস করি আমার শরীরের জন্য আলু ভাল নয় জেনেও কেন ও আলুর তরকারি রান্না করল। এই কথা শুনে আমার স্ত্রীররেগে যায়। এরপরই ও আমায় হেনস্তা করতে শুরু করে।’ জানা গিয়েছে, বাদানুবাদ চলাকালীন শৌচাগার থেকে জামা-কাপড় ধোওয়ার ব্যাট নিয়ে এসে হর্ষকে এলোপাথারি মারধর করেন তারা। নিজেকে বাঁচাতে চিৎকার করতে শুরু করেন হর্ষদ। শেষপর্যন্ত প্রতিবেশিরা তাঁকে বউয়ের হাত থেকে উদ্ধার করে।
গুরুতর জখম অবস্থায় এলিসব্রিজ এলাকায় ভিএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় হর্ষদকে। তাঁর ডান কাঁধের হাড় ভেঙেছে। ভিএস হাসপাতালে একটি মেডিকো লিগ্যাল কেস ফাইল করা হয়েছে।পরে ভাসনা পুলিশ মারধর করা ও স্বামীকে হেনস্থা করার অভিযোগে তারার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। শুরু হয়েছে তদন্ত।