Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নাসা

মহাকাশ গবেষণায় এই কাজে সাহায্য করলেই NASA’র তরফে মিলবে প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা!

জানেন কী সেই কাজ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২০, ১৯:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০২০, ১৯:৪৯

options
link
মহাকাশ গবেষণায় এই কাজে সাহায্য করলেই NASA’র তরফে মিলবে প্রায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চাঁদে (Moon) বা মঙ্গলে (Mars) কি প্রাণ আছে? অন্তত জলের সন্ধান যদি পাওয়া যায়! দীর্ঘদিন ধরেই মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে এটাই আলোচ্য বিষয়। জল আছে কি নেই, তা জানার জন্য অবশ্য আর বসে থাকতে রাজি নয় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে জল সংগ্রহে (Harvest Water) সহায়তা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে তাঁরা। নয়া এই চ্যালেঞ্জের নাম দেওয়া হয়েছে- ‘2021 Moon to Mars Ice and Prospecting Challenge’। বলা হয়েছে, তৈরি করতে হবে এমন একটি সিস্টেম যা কিনা চন্দ্রপৃষ্ঠ হোক কিংবা মঙ্গল, যে কোনও জায়গায় জলের অস্তিত্ব খুঁজে বের করবে বা তৈরিতে সাহায্য করবে।আর তাহলেই মিলতে পারে সাড়ে সাত লক্ষ টাকা।

[আরও পড়ুন: বর কোভিড পজিটিভ, শুনেই পালালেন নিমন্ত্রিতরা, তবু পণ্ড হল না বিয়ে]

এক বিবৃতিতে নাসার (NASA) তরফ থেকে এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, মহাকাশ সম্পর্কিত যেকোনও অভিযানে জল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা সে পান করার জন্য হোক কিংবা গাছ বড় করতে অথবা রকেট চালানোর জন্য। তবে নাসা আরও জানিয়েছে, পৃথিবী থেকে এভাবে জল বহন করা অনেকটাই ব্যয়বহুল। এদিকে, সৌরজগতে প্রচুর পরিমাণে জল পাওয়া যায়। কিন্তু তা খুঁজে বের করা সহজ নয়। আর মহাকাশে থাকা সেই জল কীভাবে কাজে লাগানো যায় তা বোঝার জন্য নাসা এই ওয়াটার ম্যাপিং প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। নাসার মুখ্য প্রযুক্তিবিদ ডাসলাস টেরিয়ার বলেছন, “এই আর্টেমিস প্রোগ্রামের অধীনে চন্দ্রপৃষ্ঠে কেউ অবতরণ করলেই আমরা জলের সন্ধান পাব। তবে আমরা যে জলটি খুঁজে পাব তা পান করার আগে বা জ্বালানি হিসাবে ব্যবহারের আগে অবশ্যই দূষণমুক্ত করে নিতে হবে।” নাসার বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, চন্দ্রপৃষ্ঠ হোক কিংবা মঙ্গল বা অন্যান্য কোনও গ্রহ, সেখানে মিশনে সাফল্য পেতে হলে জল খুঁজে বের করা আবশ্যক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ভারচুয়াল শুনানির মধ্যেই হুক্কায় সুখটান প্রবীণ আইনজীবীর, ভাইরাল ভিডিও]

ইতিমধ্যে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী দলগুলিকে তাদের প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য চলতি বছরের নভেম্বর মাসের মধ্যে নাসার কাছে পাঠাতে হবে। তার মধ্যে থেকে দশটি দলকে বেছে নেওয়া হবে। এই দশটি দলের প্রত্যেককে তাদের প্রস্তাবিত মডেলটি তৈরি এবং পরীক্ষার জন্য ৬ মাস ধরে ১০ হাজার ডলার (ভারতীয় মূদ্রায় আনুমানিক সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা) বৃত্তি হিসেবে দেওয়া হবে। যেটি শেষপর্যন্ত নির্বাচিত হবে, সেটিকে আগামী বছরের জুনে ভার্জিনিয়ার হ্যাম্পটনের নাসার ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টারে প্রদর্শন করা হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.