সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক সংস্থা এফএটিএফ (FATF) ‘র ধূসর তালিকা থেকে নিজেদের নাম সরানোর মরিয়া চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এর মধ্যেই তাদের ২৯ জন নাগরিক সিরিয়ায় আইএসআইএসের হয়ে মার্কিন ফৌজের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে ধরা পড়ল। যার জেরে ইসলামাবাদের সঙ্গে সন্ত্রাসবাদীদের যোগসূত্রের প্রমাণ খুঁজতে তদন্ত শুরু করল ওয়াশিংটন। ফলে পাকিস্তানের সমস্যা আরও বাড়ল বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।
দিল্লি ও ওয়াশিংটনের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সংস্থার আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি সিরিয়ায় আইএসআইএস (ISIS) জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত মার্কিন মদতপুষ্ট কুর্দ বাহিনীর তরফে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে একটি তালিকা দেওয়া হয়। তাতে দেখা গিয়েছে, তাদের কাছে আটক জঙ্গিদের মধ্যে পাকিস্তানের ২৯ জন নাগরিক রয়েছে। যাদের মধ্যে ৯ জন মহিলা। পাশাপাশি আরও জানানো হয় যে ওই ২৯ জনের মধ্যে চার জন ইতিমধ্যে অন্য দেশের নাগরিকত্বও নিয়েছে। এই তালিকা হাতে পাওয়ার পরেই পাকিস্তান যে বিশ্বব্যাপী জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে তার প্রমাণ খুঁজতে ইমরানের প্রশাসনের উপর তদন্ত চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা।
[আরও পড়ুন: দিব্যি সুস্থ আছেন কিম! প্রকাশ্যে একনায়কের প্রশাসনিক বৈঠকের ছবি ]
এপ্রসঙ্গে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত এক ভারতীয় আধিকারিক জানান, কুর্দ বাহিনীর থেকে তালিকা পাওয়ার পরেই ধৃত জঙ্গিদের জেরা করছেন মার্কিন সেনার আধিকারিকরা। জানার চেষ্টা চলেছে পাকিস্তান থেকে কে বা কারা তাদের সিরিয়ায় (Syria) আইএসআইএসের শিবিরে পাঠিয়েছে। অতীতে পাকিস্তানে থাকার সময় আল কায়দা বা অন্য কোনও ইসলামিক জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের যোগ ছিল কিনা তাও জানার চেষ্টা চলেছে। আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি ইমরান প্রশাসনের মদতে তারা সিরিয়া গিয়েছিল কি না সেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসবে।