Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
china

‘অশান্তির দায় ভারতের, এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না’, মস্কোর বৈঠকের পরই হুঙ্কার চিনের

বৈঠকেও গলল না সম্পর্কের বরফ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৩:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০, ১৩:৩০

options
link
‘অশান্তির দায় ভারতের, এক ইঞ্চি জমিও ছাড়ব না’, মস্কোর বৈঠকের পরই হুঙ্কার চিনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৈঠকেও গলল না সম্পর্কের বরফ। বরং রাশিয়ার (Russia) মাটিতে ভারতের সঙ্গে বৈঠকের পরই চিনের হুঙ্কার, “এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বে না চিন”। এমনকী, লাদাখ সীমান্তে অশান্তির দায় ভারতের ঘাড়ে চাপাল ড্রাগন।

সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বৈঠকে অংশ নেন মস্কোয় গিয়েছেন রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন চিনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওয়ে ফ্যাং-ও। সেখানে  রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী চান ফ্যাং। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠক চলে। কিন্তু তাতেও মিলল সমাধান সূত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘ভারত-চিনের সীমান্ত পরিস্থিতি খুব খারাপ’, ফের মধ্যস্থতার প্রস্তাব ট্রাম্পের]

শনিবার সকালে চিন বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “ভারত ও চিন সীমান্তে উত্তেজনার কারণটা পরিষ্কার। এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী ভারত।” একইসঙ্গে ড্রাগনের হুঙ্কার, “চিন নিজেদের জমির এক ইঞ্চিও ছাড়বে না। চিনের সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত রক্ষা করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, সমর্থ ও তৈরি।”  তাঁদের তরফে আরও বলা হয়েছে, “চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে যা আলোচনা হয়েছিল তা বাস্তবায়িত করুক ভারত।আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হোক। দু’দেশেরই  নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি ঘটানো উচিৎ। দুদেশের সম্পর্ক অবনতি হোক, এমন কোনও পদক্ষেপ কারোরই করা উচিৎ নয়। স্থিতিশীলতা, শান্তি ও সীমান্তের সামগ্রিক অবস্থা উন্নত করতে উদ্যোগী হওয়া উচিত দুই দেশের।”

[আরও পড়ুন : নতুন চক্রান্তের ইঙ্গিত! নেপালে ভারত বিরোধী বিক্ষোভে টাকা ঢালছে চিন]

এদিকে ভারতের তরফে অবশ্য সীমান্তে স্থিতিশীলতা ফেরানোর উপর জোর দিয়েছে। ভারতের তরফে পূর্ব লাদাখে প্যাংগং লেকের (Pangong Tso) দক্ষিণ অংশে ফের নতুন করে চিনা অনুপ্রবেশের তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। আলোচনার মধ্যে দিয়েই এই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার দাবিও তোলে ভারত। তবে চিন আলোচনার কথা মুখে বললে কাজে তা করছেন না, তা এদিনের দোষারোপের ঘটনাতেই স্পষ্ট।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.