বিপ্লবচন্দ্র দত্ত, কৃষ্ণনগর: পাবজি (PUBG) গেমের নেশায় মত্ত থাকত ছাত্রটি। বন্ধ হয়েছে সেই খেলা। তারপর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করল নদিয়ার কল্যাণীর আইটিআইয়ের ওই ছাত্র। তবে এই মৃত্যুর নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই ছাত্রের নাম প্রীতম হালদার। বয়স একুশের আশেপাশে। তাঁর বাড়ি চাকদহ থানার পূর্ব লালপুর এলাকায়। শুক্রবার দুপুরে ওই যুবকের মা দেখেন ঘরের মধ্যে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলছে ছেলেটি। মায়ের একটি শাড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগান প্রীতম। ওই দৃশ্য দেখেই চিৎকার করতে শুরু করেন প্রীতমের মা। তাঁর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হয়ে যান। তাঁদের মাধ্যমেই চাকদহ থানায় পুলিশ ঘটনার খবর পায়। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। কী কারণে ওই যুবক আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিল, তা জানতে পুলিশ যুবকের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। নিহত প্রীতমের মা বলেন, “ছেলে কেন আত্মহত্যা করল, তা আমি জানি না। তবে ও পাবজি গেম খেলত। গেম বন্ধ হওয়ার পর ছেলের মন খারাপ ছিল। সেই কারণে হয়তো আত্মহত্যা করেছে।”
[আরও পড়ুন: FAU-G’র পোস্টারটা অন্তত আসল বানাতে পারতেন’, অক্ষয়কে খোঁচা নেটিজেনদের]
উল্লেখ্য পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চড়তে থাকা উত্তেজনার পারদ চূড়ান্ত আকার নেয় গত ১৫ জুন। গালওয়ান সীমান্তে চিনা সেনার অতর্কিত হানায় শহিদ হন ২০ ভারতীয় জওয়ান। এরপর থেকেই চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দেন দেশবাসী। চিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। চিনকে ভাতে মারতে একাধিক পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। চিনের বিভিন্ন সংস্থার একাধিক বরাত বাতিল করে রেল ও বিএসএনএল। এরপরই ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষিত হয়। গত ২ সেপ্টেম্বর আবারও ডিজিটাল স্ট্রাইক করে ভারত। PUBG-সহ ১১৮টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তার জেরেই ওই যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।