Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Muslims win call to prayer

৫ বছর মামলা লড়ে জার্মানিতে মাইকে আজানের অধিকার ফিরে পেলেন মুসলিমরা

বিষয়টি কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০, ১২:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০, ১২:২৭

options
link
৫ বছর মামলা লড়ে জার্মানিতে মাইকে আজানের অধিকার ফিরে পেলেন মুসলিমরা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে অবসান হল দীর্ঘ প্রতীক্ষার। পাঁচ বছর ধরে মামলা লড়ে মাইকে আজান দেওয়ার অধিকার ফিরে পেলেন মুসলিমরা। ঘটনাটি ঘটেছে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া প্রদেশের ওয়ের-এরকেন্সউইক শহরে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে খুশির আমেজ স্থানীয় তুর্কিস ইসলামিক সম্প্রদায়ের ‘দিতিব (Ditib)’ জনগোষ্ঠীর মানুষদের মনে। যদিও অন্য ধর্মের মানুষদের মধ্যে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে দিতিব জনগোষ্ঠীর মানুষ স্থানীয় এক মসজিদে মাইকে (loudspeaker) আজান দেওয়ার মাধ্যমে অন্যদের ধর্মীয় স্বাধীনতা হরণ করছে এই অভিযোগ ওঠে। ওয়ের-এরকেন্সউইক (Oer-Erkenschwick) শহরের প্রশাসনের কাছে অন্যদের ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘনের হচ্ছে বলে এটা বন্ধ করার আবেদনও জানানো হয়। এরপরই তুর্কিস ইসলামিক সম্প্রদায়ের মানুষদের দুপুর ১২ থেকে ২টোর মধ্যে মাত্র ১৫ মিনিট মসজিদের মাইক ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিল প্রশাসন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ফের বর্ণ বিদ্বেষ বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল মার্কিন মুলুক, গুলিবিদ্ধ ২ পুলিশ কর্মী ]

কিন্তু, মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী এক দম্পতি প্রশাসনের ওই অনুমোদনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল। ওই দম্পতির অভিযোগ ছিল, মাইকে আজান দেওয়ার কারণে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। ওই মামলার ভিত্তিতে দিতিব জনগোষ্ঠীর ওই মসজিদে আজান দেওয়ার উপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে মামলাকারী দম্পতির আবেদন খারিজ করে দিয়ে দিতিব সম্প্রদায়ের মানুষদের মাইকে আজান দেওয়ার অনুমতি দেয় আদালত।

এপ্রসঙ্গে আদালতের তরফে জানানো হয়, প্রত্যেক ধর্মের মানুষকেই মেনে নিতে হবে যে অন্যরাও তাঁদের ধর্মীয় আচরণ পালন করবেন। যতক্ষণ পর্যন্ত না অন্যদের ওই ধর্মীয় আচরণ মানতে বাধ্য করা হচ্ছে ততক্ষণ অভিযোগ করার কোনও সুযোগ নেই।

[আরও পড়ুন: ‘বোমা রাখা আছে, আইফেল টাওয়ার উড়িয়ে দেব’, হুমকি পেয়েই সতর্ক প্যারিস পুলিশ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.