সময়ের সঙ্গে বদলে যায় শিল্পের অর্থও। কালচক্রে বিলীন হয় অতীত সৃজনের প্রাসঙ্গিকতা। জন্ম নেয় নয়া ভাবনা। নতুন পদ্ধতির ব্যবহারের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে পদ্ধতির নতুন ব্যবহার।
আর সেখান থেকেই অতীতকে টপকে জায়গা করে নেয় নতুন সৃষ্টি। শিল্পীও এখানে শিল্পের বিনির্মাণ করেছেন। যেখানে মণ্ডপ কখনও হয়ে উঠছে বহু রেখার সমন্বয়ে গঠিত এক ত্রিমাত্রিক ক্ষেত্র। কখনও তা জ্যামিতিক। আবার কোনও সময় ভাঙা অংশবিশেষ।
৪৬
এখানে দর্শনার্থীরা তাঁদের নিজের মতো করে দেখে নিতে পারবেন নিজেদের তাঁদের মননের দুর্গাকে। আসলে দেবী দুর্গা তো কোনও স্থিরচিত্র নয়, তিনি কখনও বিশ্বাস, কল্পনা, শুভশক্তি তো কখনও উপলদ্ধি, বোধ, চেতনা। তাই অনুভবের বিষয়টি দর্শকদের হাতেই ছেড়েছেন শিল্পী।
৫৬
শিল্পীর ভাবনায় বড় ভূমিকা রয়েছে মণ্ডপের আলোকসজ্জারও। দিন ও রাতে একেবারে ভিন্ন পরিবেশের সাক্ষী থাকবেন দর্শনার্থীরা।
তপ্ত... মৃৎশিল্পের আঁতুড়ঘরের এই দৃশ্যের জন্যই তো গোটা বছরটা অপেক্ষা করেন পুজোপ্রেমী বাঙালিরা। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
৪৮
উৎসবের আনন্দে করোনাতঙ্ক বাদ সাধলেও পুরোপুরি বেরঙিন হয়নি বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব। মা আসছেই... ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
৫৮
এবছর প্রায় প্রতিটি পুজো কমিটিই বাজেটে কাটছাঁড় করেছে। বাড়ির পুজোতেও ধুমধাম কম। তাই কুমোরটুলিতে এবার বেশি চাহিদা ছোট ঠাকুরেরই। শিল্পীরা জানাচ্ছেন, অর্থের বিনিময়েও আর ছোট প্রতিমা মিলবে না। ছবি: পিন্টু প্রধান
পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে পারে দেশের এই স্থানগুলি, World Tourism Day-তে দেখুন মন ভাল করা ছবি
ভারচুয়াল সফরে আপনাকে স্বাগত।
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০, ২০:১২
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০, ২০:১২
১৭
গোয়া। পর্যটকদের বরাবরের প্রিয় ভ্রমণ কেন্দ্র। এই রাজ্যের অর্থের একটা বড় অংশ আসে পর্যটন থেকে। তাই করোনা পরবর্তী পর্যায়ে এই শিল্পে আরও জোর দেওয়ার পরিকল্পনা গোয়ার। কোভিডবিধি মেনে সেখানে ইতিমধ্যেই পর্যটকদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। নিউ নর্মালে বিদেশি ভ্রমণপিপাসুরা ভিড় জমালে গোয়ায় ফের চাঙ্গা হবে শিল্প।
২৭
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে খুলেছে তাজ মহল। করোনা আতঙ্কে সেভাবে ভিড় যদিও চোখে পড়ছে না। তবে বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্য দেখার ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা করা হলে ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরবে দেশের পর্যটন শিল্প।
ঐতিহ্যবাহী বহু প্রাচীন ধর্মস্থানগুলি ভারতের অন্যতম আকর্ষণীয় বিষয়। বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে মন্দির-মসজিদ-গির্জা-গুরুদ্বার। এই স্থানগুলিতে পর্যটকরা ফিরলে আবার চাঙ্গা হবে অর্থনীতি।
৪৭
রাজস্থান। নামটা বললেই বাঙালি পর্যটকদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে সোনার কেল্লা। ভারতীয়দের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র রাজপুতদের এই স্থল। রাজ পরিবারের চাকচিক্য আজও সেখানে বর্তমান। করোনা পরবর্তী সময়ে ফের ভ্রমণপিপাসুরা এখানে ঢুঁ মারবেন বলেই আশা।
৫৭
পাহাড় থেকে সমুদ্র, নদী থেকে জঙ্গল- কী নেই এই ভূ-ভারতে। করোনা কালে দেশের বিভিন্ন ন্যাশনাল ফরেস্টকে মিস করেছেন পর্যটকরা। এই স্থানও ধসে পড়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার ক্ষমতা রাখে।
বাঙালির অতি প্রিয় দার্জিলিংও করোনার কামড়ে মলিন। কিন্তু ধীরে ধীরে খুলছে হোটেল, রেস্তরাঁ। স্বাভাবিক হচ্ছে জনজীবন। হয়তো শীঘ্রই পুরনো ছন্দে ধরা দেবে 'কাঙ্গনজঙ্ঘার দেশ'।