Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Kargil War

‘কার্গিল যুদ্ধে বিশ্বের সামনে ছোট হতে হয়েছিল পাকিস্তানকে’, অবশেষে হার স্বীকার নওয়াজের

বহু সেনার প্রাণ গেলেও পাকিস্তানের কোনও লাভ হয়নি, মেনে নিলেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৬:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৬:০৭

options
link
‘কার্গিল যুদ্ধে বিশ্বের সামনে ছোট হতে হয়েছিল পাকিস্তানকে’, অবশেষে হার স্বীকার নওয়াজের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৯৯৯ সালে ভারত-পাকিস্তান কার্গিল যুদ্ধের (Kargil War) পিছনে ছিলেন পারভেজ মুশারফ ও তাঁর সঙ্গীরা। তাঁরা পাক সেনাকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করেছিলেন। খাদ্য, অস্ত্র ছাড়াই পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে বাধ্য করা হয়েছিল দেশের সেনাবাহিনীকে। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান মুসলিম লিগ-এনের প্রধান নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif)। লন্ডন থেকে ভিডিওর মাধ্যমে সরকার বিরোধী জোটের সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই সমাবেশেই তাঁর দাবি, কার্গিল যুদ্ধে বিশ্বের সামনে ছোট হতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। প্রাণ গিয়েছিল বহু পাক সৈনিকের। অথচ তার বিনিময়ে কিছুই পাওয়া যায়নি। তাঁর আরও দাবি, এই যুদ্ধের পিছনে ছিলেন পাকিস্তানের কয়েক জন জেনারেল, গোটা সেনাবাহিনী নয়।

নওয়াজ শরিফ বলেন, ‘‘যখন জানতে পেরেছিলাম আমাদের সাহসী যোদ্ধাদের খাবার ছাড়াই পাহাড়চূড়ায় উঠতে হয়েছিল, সেই মুহূর্তটা আমার জন্য যে কী যন্ত্রণাদায়ক ছিল! ওদের কাছে অস্ত্রও ছিল না। নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিল ওরা। কিন্তু আমাদের দেশ তা থেকে কী পেল?’’ তিনি আরও বলেন, যে জেনারেলরা কার্গিল সংঘর্ষ শুরু করেছিলেন, পরে তাঁরাই ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর পাকিস্তানের সেনা অভ্যুত্থানের হোতা ছিলেন। আসলে সামরিক আইন জারি করে তাঁরা নিজেদের ক্রিয়াকলাপ আড়াল করতে চেয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল শাস্তির হাত থেকে বাঁচা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বদেশীদের সুযোগ, H1B চাকরির ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ভিসায় রাশ টানতে চলেছে আমেরিকা]

শরিফের দাবি, পাকিস্তানকে ভিতর ও বাইরে থেকে যারা ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে সেই অসাংবিধানিক শক্তির বিরুদ্ধে তাঁরা গর্জে উঠেছেন। পাকিস্তানের ১১টি বিরোধী দল মিলে সরকার বিরোধী যে জোট করেছে তার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি। তাঁর দাবি, চারপাশে যে উদ্দীপনা তাঁর চোখে পড়ছে তা থেকে পরিষ্কার এবার আর কেউ ভোটের সম্মান লঙ্ঘন করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘‘আমি গুজরানওয়ালা ও করাচিতে এই উদ্দীপনা লক্ষ করেছি। এখন সেটাই দেখছি কোয়েত্তাতেও।’’ উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের মে-জুলাই মাসে কাশ্মীরের কার্গিল জেলায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ বাঁধে। পাক সেনা নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়লে যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে ওঠে।

[আরও পড়ুন: নজরে চিন, তাইওয়ানকে ২৫০ কোটির হারপুন মিসাইল দিচ্ছে আমেরিকা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.