কৃষ্ণকুমার দাস: আরজি কর হাসপাতালের কাছে টালার ৬০ ইঞ্চি পাইপের ফাটল মেরামতির জেরে শনিবার দিনভর উত্তর ও মধ্য কলকাতায় (kolkata) জল বন্ধ ছিল। ফলে কিছুটা দুর্ভোগের মুখে পড়েছিলেন কয়েক লক্ষ মানুষ। কিন্তু যুদ্ধকালীন তৎপরতায় মাটির ২০ ফুট নিচের বিগডায়া পাইপ মেরামত করেন ইঞ্জিনিয়াররা। ফলে রবিবার সকালেই বাড়ি-বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেবে কলকাতা পুরসভা (KMC)।
সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই পলতায় নদীর জল পরিশুদ্ধ করে নিয়ে এসে টালা (Tala Tank) থেকে কলকাতায় পানীয় জল সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বস্তুত এই কারণে এদিন টালার জল সরবরাহ বন্ধ রাখায় উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার একাংশে দুপুরের পর জল সংকট শুরু হয়। বিশেষ করে যাদের বাড়িতে পানীয় জল মজুত করার পরিকাঠামো নেই, সেই সমস্ত পরিবার খুবই সংকটে পড়েছিলেন।
[আরও পড়ুন : ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শোরগোল]
যদিও পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা দাবি করেন, মেরামতের প্রয়োজনের কথা আগে থেকে ঘোষণা করায় অধিকাংশ মানুষই বিকল্প ব্যবস্থা করেছিলেন।পুরসভার মুখ্যপ্রশাসক ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এদিন বিকেলে জানিয়েছেন, “আগে ঠিক ছিল টালার মূল পাইপের মেরামত করে জল সরবরাহ করতে রবিবার বিকেলে হয়ে যাবে। কিন্তু পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা এতটাই দক্ষতার সঙ্গে ২০ মাটির নিচে নেমে কাজ করেছেন যে রাতেই কাজ শেষ হবে, রবিবার সকালেই জল দেওয়া যাবে।”

উল্লেখ্য, গত সোমবার আরজিকর হাসপাতালের পিছন দিকে নীলমণি মিত্র রোড এলাকায় টালার বিগডায়ায় ফাটল ধরা পড়ায় গোটা এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়ে আরজিকর হাসপাতালের আউটডোরের সামনের গোটা এলাকা এবং সংলগ্ন বস্তি। সেই ফাটল মেরামতির জন্য শনিবার দুপুর, বিকেল ও সন্ধেয় টালা ট্যাঙ্কের আশপাশের এলাকা, জোড়াবাগান, মহম্মদ আলি পার্ক, নিউ পার্ক, চাউলপট্টি, বাগমারি, পার্ক সার্কাস, কসবায় জল বন্ধ ছিল। একইসঙ্গে পানীয় জল সরবরাহ ব্যাহত হয় সল্টলেক ও দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকাতেও।
[আরও পড়ুন : ‘দাদার অনুগামী’দের পালটা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘দিদির সঙ্গে’ থাকার অঙ্গীকার তৃণমূলের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন