Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Niti Aayog CEO

‘বেশি গণতান্ত্রিক অধিকারই ভারতে সংস্কারের পথে বাঁধা’, নীতি আয়োগের CEO’র মন্তব্যে বিতর্ক

চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামতে আরও সংস্কার প্রয়োজন বলে মত তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২০, ১৯:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২০, ১৯:১২

options
link
‘বেশি গণতান্ত্রিক অধিকারই ভারতে সংস্কারের পথে বাঁধা’, নীতি আয়োগের CEO’র মন্তব্যে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগামী দশকে পা রাখার আগে দেশে সংস্কার কতটা প্রয়োজন, তা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু  সেই সংস্কার পথে বাধা কোথায়, তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন নীতি আয়োগের (NITI Aayog) সিইও। তাঁর কথায়, “ভারতে অত্যাধিক গণতন্ত্রই কঠিন সংস্কারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” বলাইবাহুল্য, তাঁর ইঙ্গিত ছিল দেশজুড়ে চলতে থাকা কৃষক আন্দোলনের দিকেই।

মঙ্গলবার স্বরাজ্য ম্যাগাজিনের তরফে একটি ভারচুয়াল কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই বক্তব্য রাখেন নীতি আয়োগের সিইও অমিতাভ কান্ত (NITI Aayog CEO Amitabh Kant)। সেই ভারচুয়াল প্ল্যাটফর্মে তিনি বলেন, “ভারতে মাটিতে কঠোর সংস্কার করা কঠিন। কারণ এ দেশে অত্যাধিক গণতান্ত্রিক (Democracy) অধিকার রয়েছে।” তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : টানা আন্দোলনে কৃষকরা, অন্নদাতাদের মুখে খাবার জোগাতে দিল্লির অনশনস্থলে বসল রুটি মেশিন]

এদিনের অনুষ্ঠানে অমিতাভ কান্ত আরও বলেন, “দেশে সংস্কার (Reform) আনতে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার নামতে গেলে আরও অনেক সংস্কারের দরকার রয়েছে এ দেশে।” মোদি সরকারের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “এই সরকারের কঠিন সংস্কারের ইচ্ছে রয়েছে। তারা সে কাজ করছেও। এবার রাজ্যগুলিকে সংস্কারের কাজে এগিয়ে আসতে হবে।” নীতি আয়োগের সিইও জানান, দেশের ১০-১২টি রাজ্যের উন্নয়নের হার ভাল। তাহলে দেশের উন্নয়ন কেন পিছিয়ে থাকবে? সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

এদিন কৃষি আইন নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। নীতি আয়োগের সিইও-র কথায়, “এটা বুঝতে হবে এমএসপি বা কৃষিমাণ্ডি উঠে যাচ্ছে না। কিন্তু বাজার দর দেখে কৃষকরা নিজের ইচ্ছে মতো ফসল বিক্রির স্বাধীনতা পাবেন। এতে দেশের ও চাষিদেরও উন্নতি হবে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলে দাবি করেন তিনি। প্রসঙ্গত, বাদল অধিবেশনে সংসদে কৃষি আইন পাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেইআইন প্রত্যাহারের দাবিতে দিল্লি সীমানায় বিক্ষোভে বসেছেন বিভিন্ন রাজ্যের কৃষকরা। এমন আবহে নীতি আয়োগের সিইও-র মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। 

[আরও পড়ুন : এবার প্রতিবাদী কৃষকদের সমর্থনে মার্কিন আইনপ্রণেতারা, আরও চাপে কেন্দ্র]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.