সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোহত্যা রুখতে ২ দিন আগেই আইন এনেছে কর্ণাটকের বিজেপি সরকার। তারপর থেকে দেশজুড়ে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখাচ্ছে বিরোধীরা। এই নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই বিজেপি সমর্থকদের গরুর সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক বলে কটাক্ষ করলেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা সিদ্দারামাইয়া (Siddaramaiah)।
শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বর্ষীয়ান ওই কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিক স্বৈরাচারী পন্থায় ওই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। আমি চাই গরুর মাংসের রপ্তানি বন্ধ হোক। আর এই বিষয়ে গোটা দেশজুড়ে একটিই মাত্র আইন করা হোক। কিন্তু, আপনারা যদি খতিয়ে দেখেন তাহলে লক্ষ্য করবেন যারা গরুর মাংসের রপ্তানির কাজে যুক্ত রয়েছে তারা বেশিরভাগই বিজেপি (BJP)’র সমর্থক।’
[আরও পড়ুন: এবার মানব শরীরে ট্রায়ালের অনুমতি পেল ভারতের নিজস্ব mRNA করোনা ভ্যাকসিন ]
এপ্রসঙ্গে জনপ্রিয় হিন্দু সাধু স্বামী স্বরূপানন্দ সরস্বতীর পুরনো একটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করেন কর্ণাটকের বিরোধী দলনেতা সিদ্দারামাইয়া। বলেন, ‘২০১৪ সালে দেশের ক্ষমতায় নরেন্দ্র মোদির সরকার আসার পরেই গরুর মাংসের রপ্তানি বেড়েছে। পুরনো বছরগুলির পরিসংখ্যান দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। ২০১২-১৩ সালে যেখানে ভারত থেকে ১০ লক্ষ ৭৬ হাজার টন গরুর মাংস রপ্তানি করা হয়েছিল ২০১৪-১৫ সালে তা ১৪.৭৫ লক্ষ টনে পৌঁছয়। এর পরের তিন বছরও ১৩ লক্ষ টন করা রপ্তানি হয়েছে। আমার তো মনে হয় নির্দিষ্ট কিছু রাজ্যে এই আইন চালু না করে পুরো দেশে করা হোক। কিন্তু, তা না করে একদিকে লাইসেন্স দিয়ে গরুর মাংস রপ্তানিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আবার অন্যদিকে সঠিক কোনও চিন্তাভাবনা ছাড়াই কোথাও কোথাও গোহত্যা বন্ধের আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।’
[আরও পড়ুন: অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের জের, গোয়া সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা বম্বে হাই কোর্টের]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন