সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশের (Himachal Pradesh) পং বাঁধ সংলগ্ন জলাভূমিতে শয়ে শয়ে পরিযায়ী পাখির (Migratory birds ) রহস্যময় মৃত্যু ঘিরে ছড়াল চাঞ্চল্য। গত এক সপ্তাহে এখানে মৃত পাখির সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় ১২০০-এ। মৃত পাখিদের মধ্যে রয়েছে বহু বিপন্ন প্রজাতির পাখিও। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ফলে বাড়ছে উ্দ্বেগ।
গত ২৮ ডিসেম্বর ওই অঞ্চলের ফতেপুর এলাকায় কয়েকটি পরিযায়ী পাখির মৃতদেহ চোখে পড়ে কর্তৃপক্ষের। এরপরই শুরু হয় ওই জলাভূমি খতিয়ে দেখা। ক্রমে নজরে আসে ৪২১টি পাখির শবদেহ। পরে ক্রমশ বাড়তে থাকে মৃত পাখির সংখ্যা। গোটা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ‘ফরেস্ট ওয়াইল্ড লাইফ’-এর প্রধান অর্চনা শর্মা জানিয়েছেন, ‘‘এই ক’দিনে প্রায় ১২০০ পাখির মৃত্যু হয়েছে। কেন পাখিগুলি মারা গেল তা খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার পরে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে।’’
ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পাখির দেহ জলন্ধরের ‘ইন্ডিয়ান ভেটেরিনারি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ ও ‘রিজিওনাল ডিজিজ ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য। সেখান থেকে প্রাথমিক যে রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে, তা থেকে এটা নিশ্চিত কোনও ধরনের বিষক্রিয়ায় ওই পাখিগুলির মৃত্যু হয়নি। পাশাপাশি, বাকি পাখিদের মৃতদেহ দ্রুত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে। যাতে পাখিদের মধ্যে কোনও সংক্রমণ দেখা দিলে তা ছড়িয়ে পড়া আটকানো যায়।
[আরও পড়ুন: বছর শেষে রহস্যের হাতছানি! এবার দেশের এই শহরে দেখা মিলল সেই মনোলিথের]
১৮ হাজার হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই জলাভূমিতে প্রতি বছরই শীতকালে ১১৪টি প্রজাতির প্রায় দেড় লক্ষ পাখি আসে। এবছরের ১৫ ডিসেম্বরের হিসেব অনুযায়ী, এরই মধ্যে এসে পড়েছে ৫৭ হাজার পাখি। এর মধ্যে রয়েছে মরাল, কালো মাথার চিল, নদীচিল, তিলিহাঁসের মতো বিপন্ন প্রজাতির পাখি।
[আরও পড়ুন: যেন ঘুমন্ত প্রাণী! সাইবেরিয়ায় উদ্ধার তুষার যুগের লোমশ গণ্ডার দেখে তাজ্জব বিজ্ঞানীরা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন