Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬

বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ড্র করে চাপ বাড়ল বাগানের

১২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার তিন নম্বরেই থাকল মোহনবাগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০১৯, ১৪:৪২

options
link
বেঙ্গালুরুর সঙ্গে ড্র করে চাপ বাড়ল বাগানের zoom

বেঙ্গালুরু এফসি- ০

মোহনবাগান- ০

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আরএ একটা ৯০ মিনিটের ম্যাচ পার। তবুও জয় এল না। লিগ জয়ের রাস্তা থেকে আরও এক কদম দূরে সরে গেল গঙ্গাপারের ক্লাব মোহনবাগান। লালকার্ড, বিতর্কিত সিদ্ধান্তে গোল বাতিল, এসব কিছুরই সাক্ষী থাকল বেঙ্গালুরুর শ্রী কান্তিরাভা স্টেডিয়াম। শনিবার সন্ধেয় হতাশা ছাড়া আর কিছুই প্রাপ্তি নেই সবুজ-মেরুন শিবিরের। বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে এক পয়েন্ট নিয়েই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে কোচ সঞ্জয় সেনের ছেলেদের। ড্র করে ১২ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার তিন নম্বরেই থাকল মোহনবাগান।

এদিন জয় ছাড়া আর কিছুই ভাবছিলেন না সঞ্জয় সেন। লিগ জয়ের আশা জিইয়ে রাখতে এই ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট তোলার কথা মাথায় ছিল তাঁর। কিন্তু কোথায় কী? বিপক্ষের গোলমুখ খুলতেই পারলেন না সোনি-বলবন্ত-ডাফিরা। একাধিক চেষ্টা, অজস্র সুযোগ বিফলে গেল। ম্যাচের একদম শেষ লগ্নে ৮৫ মিনিটের মাথায় শেষপর্যন্ত যখন গোলমুখ খোলা গেল, তখন সেই গোলও রেফারি বাতিল করে দিলেন। প্রথমার্ধ এবং দ্বিতীয়ার্ধে দুটি হলুদ কার্ড দেখায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন বাগানের শুভাশিস বসু। সঞ্জয় সেনের বিপদ বাড়িয়ে চোট পেলেন গোলকিপার শিল্টন পাল। যত রকম খারাপ হওয়ার, সবই হয়েছে বাগানের সঙ্গে। গোদের উপর বিষফোড়া ওই গোল বাতিল। প্রথমার্ধে যেখানে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে গিয়েছিলেন সোনি-বলবন্তরা, সেখান দ্বিতীয়ার্ধে গোলরক্ষা করতে ঘাম ঝরালেন এডুয়ার্ডো-আনাসরা। বেঙ্গালুরুর সুনীল ছেত্রীরাও অনেক চেষ্টা করেছেন গোল করার। কিন্তু ওদের যে শনির দশা চলছে। দুবারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে ধুঁকছে। লিগ জয়ের রাস্তা থেকে বহু দূরে সরে গিয়েছে তারা।

কিছুদিন আগে এই বেঙ্গালুরুকে তাদেরই ঘরের মাঠে ধরাশায়ী করে গিয়েছিল বাগানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল। তাই এদিন সেইরকমই ফলাফল আশা করেছিলেন বাগানের সমর্থকরা। কিন্তু তাদের গলা ফাটানো সমর্থনে জল ঢেলে দিল বাগানের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতা। অন্যদিকে, ১৪ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার শীর্ষে বেশ আয়েশ করে বসে আইজল এফসি। সেখানে এদিন জয়টা খুব দরকার ছিল। তবে বিধি বাম। গোল না এলেও খুব ভাল ফুটবলও দেখা গেল না বাগান ফুটবলারদের পা থেকে। গোটা দ্বিতীয়ার্ধ দুর্গরক্ষাই করে গেলেন প্রীতম-শেহনাজরা। ম্যাচের শেষদিকে সোনির ফ্রি-কিক থেকে কাটসুমির হেড বেঙ্গালুরু গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য যিনি আবার ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন, তাঁকে পরাস্ত করে গোলে ঢুকে যায়। কিন্তু রেফারি সেই গোল বাতিল করে দেন। কোন দিক থেকে তা ফাউল ছিল তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন রয়েছে। তবে কী আর করা যাবে? গোল আসেনি, ভাল ফুটবলও বেরয়নি। অগত্যা ড্র খুব একটা অপ্রত্যাশিত বলা যাবে না। দুই নম্বরে থাকা ইস্টবেঙ্গল এবং শীর্ষে থাকা আইজল বাকি ম্যাচগুলিতে খুব খারাপ না খেললে মোহনবাগানের কপালে অশেষ দুঃখ আছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.