Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Daniel Pearl murder case

ড্যানিয়েল পার্লের হত্যাকারী ওমর শেখকে মুক্তি দিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট

১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণের সময় ওমরকে বাধ্য হয়ে মুক্তি দিয়েছিল ভারত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৮, ২০২১, ১৬:২৭

options
link
ড্যানিয়েল পার্লের হত্যাকারী ওমর শেখকে মুক্তি দিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্কিন সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্লকে (Daniel Pearl) অপহরণ ও হত্যায় মূল অভিযুক্ত পাক জঙ্গি ওমর সঈদ শেখকে (Omar Sheikh) ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল পাকিস্তানের (Pakistan) সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এর আগে সিন্ধ হাই কোর্টও এই রায়ই দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল সিন্ধু প্রদেশের সরকার। তাদের আরজি খারিজ করে হাই কোর্টের রায়ই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার শুনানি হয় তিন বিচারপতির এক বেঞ্চে। বেঞ্চের এক সদস্য ওমর সঈদের মুক্তির বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত বেঞ্চের তরফে হাই কোর্টের রায়ই অব্যাহত রাখা হয়। প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান ও বিমানে থাকা যাত্রীরা অপহৃত হওয়ার পর মুক্তিপণের দাবিতে যে জঙ্গিদের ছাড়া হয়েছিল তাদের অন্যতম ছিল ওমর শেখ।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: নাভালনির গ্রেপ্তারিতে নিন্দার ঝড়, রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি ইউরোপীয় ইউনিয়নের]

২০০২ সালে পাকিস্তানে এসেছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ড্যানিয়েল পার্ল। আইএসআই ও আল কায়দার মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে তদন্ত করছিলেন তিনি। এরপরই তাঁকে অপহরণ করে ওমর। তাঁর মাথা কেটে তাঁকে নৃশংস ভাবে খুন করে সে। এর আগে ১৯৯৪ সালে চারজন বিদেশি পর্যটককে অপহরণ করে ওমর। তখন সে কাশ্মীরে ছিল। বিচারে সাজা হয় তার। গাজিয়াবাদ-সহ দেশের বিভিন্ন জেলে থাকতে হয়েছে তাকে। পরে ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণের সময় তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় নয়াদিল্লি।

ওমর শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তার প্রাণভিক্ষার আরজি মেনে সাজা কমিয়ে সাত বছর করা হয়। ২০২০ সালের ২ এপ্রিল পাক আদালতে শুরু হয়েছিল ওই জঙ্গিদের আপিলের শুনানি। তখনই আদালত ওমরের মৃত্যুদণ্ড রদ করে দেয়। সেই সঙ্গে ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা জরিমানা করা হয় তাকে। যেহেতু এত দীর্ঘ সময় সে কারাবাস করেছে, তাই তার সাত বছরের সাজা এরই মধ্যে পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। তাই তাকে ছেড়ে দেওয়ার রায় দিয়েছিল সিন্ধের আদালত। সেই রায়ই বহাল রেখে দিল পাক সুপ্রিম কোর্ট।

[আরও পড়ুন: অতিমারী ও মন্দার ধাক্কায় দিশেহারা দেশ! পদত্যাগ করলেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.