সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোহিত ভেমুলার আত্মহত্যার বছর খানেক পর এবার একই ঘটনার সাক্ষী হল দিল্লি জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)। মুথুকৃষ্ণণ নামের এক এমফিল ছাত্র গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হলেন। যদিও তাঁর আত্মহত্যার স্থান থেকে কোনও সুইসাইড নোট পায়নি পুলিশ। তবে তাদের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত জীবনের হতাশা থেকেই হয়তো আত্মহননের পথ বেছে নেন মুথুকৃষ্ণণ।
(গোয়া নিয়ে কংগ্রেসের আর্জি শুনতে রাজি সুপ্রিম কোর্ট)
নিজে দলিত সম্প্রদায়ের হওয়ায় জাতিবৈষম্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে সরব থাকতেন ২৭ বছরের ওই ছাত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের শেষ পোস্টটিতেও সকলের জন্য সমানাধিকারের দাবি জানিয়ে গিয়েছেন তিনি। তবে কি তাঁর আত্মহত্যার সঙ্গে দলিত হওয়ার কোনও সম্পর্ক রয়েছে? পুলিশ এ ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার দিল্লির মুনিরকা বিহার এলাকায় বন্ধুর ফ্ল্যাটে খেতে গিয়েছিলেন ওই ছাত্র। বন্ধুকে বলেন তিনি ঘুমোতে চান। তারপরই ঘরের দরজা বন্ধ দেন। মঙ্গলবার সকালে মুথুকৃষ্ণণকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পাওয়ায় পুলিশে খবর দেন সেই বন্ধু। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ। দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে জেএনইউ ছাত্রকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
তামিলনাড়ুর সালেমের বাসিন্দা হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র। সেখানে রোহিত ভেমুলার আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন তিনি। সেই রোহিতের মতোই পরিণতি হল তাঁর। জেএনইউ-র দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্র জানান, “অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের ছেলে ছিল মুথুকৃষ্ণণ। আমাকে নিজের আর্থিক সমস্যার কথা অনেকবার বলেছে। তার উপর পড়াশোনার চাপ ছিল। ব্যক্তিগত জীবনও বিশেষ সুখের ছিল না বলে জানিয়েছিল।” গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।