সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাইনে প্রতিমাসে ৬৫-৭০ হাজার টাকা। তবুও সহকর্মীর মানিব্যাগ চুরি করার দায়ে অভিযুক্ত এক বায়ুসেনা আধিকারিককে ‘কোর্ট-মার্শাল’ করা হয়েছিল। মাত্র ৫৩১ টাকার চুরির অভিযোগ উঠেছিল তাঁর ওপর।
[ঐশ্বর্যের বাবার মৃত্যুতে পাশে দাঁড়াল গোটা বলিউড]
একটি বিদেশী সংবাদসংস্থায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, এক বায়ুসেনা আধিকারিক তাঁদের জানিয়েছেন, ‘২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মুম্বইয়ের মাড আইল্যান্ডে অবস্থিত একটি বায়ুসেনা ঘাঁটির সিএসডি ক্যান্টিনে গিয়েছিলেন অভিযুক্ত বায়ুসেনা কর্মী। তখন সেখানে দু’টি মানিব্যাগ রাখা ছিল।’ মানিব্যাগ কে চুরি করেছে সেটা দু’দিনেও বুঝতে পারেননি ক্যান্টিনের কর্মীরা। এরপরেই ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়। পরে একটি খালি মানিব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক বায়ুসেনা আধিকারিক ক্যান্টিনের কর্মীদের চোখ এড়িয়ে মানিব্যাগটি নিজের পকেটে ঢুকিয়ে নেন। এরপরেই ওই অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
[নারদ কাণ্ডের তদন্তে এল স্পেশাল সিবিআই টিম, নিল ফুটেজ]
তদন্তের পর প্রাথমিকভাবে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সাজা হিসেবে চুরি করা টাকা এবং মানিব্যাগের দাম দিতে বলা হয়। পাশাপাশি পদন্নোতির জন্য এক বছরের চাকরির সময়সীমাও বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে তৎকালীন এয়ারফোর্স প্রধান অভিযুক্ত আধিকারিকের সাজা কমিয়ে দেন। কিন্তু নিজের ওপর থেকে সমস্ত অভিযোগ সরাতে পরবর্তী সময়ে আর্মড ফোর্সেস ট্রাইবুনালে আবেদন করেন ওই আধিকারিক। কিন্তু বিচারকরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখেও একই রায় দেয়। জানিয়ে দেয়, কোনওভাবেই ওই অফিসারের ওপর থেকে টাকা চুরির অভিযোগ সরানো হবে না।
ছবি-প্রতীকী