Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Home decor

ঘরের ‘আপদ’ বিদায় করতে ফেংশুই মানুন, অন্দরমহলে রাখুন এই জিনিসগুলি

সুখ-শান্তিও ফিরবে, আবার লক্ষ্মীলাভওও হবে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২১, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৬, ২০২১, ১৫:০৮

options
link
ঘরের ‘আপদ’ বিদায় করতে ফেংশুই মানুন, অন্দরমহলে রাখুন এই জিনিসগুলি zoom

বাড়ি মানে শুধুমাত্র ইট-সিমেন্ট-বালির রঙচঙে মোড়ক তো নয়! নিজের বাড়ি মানে, নিজের স্বর্গের আগের স্টেশন। যেখানে সুখ, শান্তি আর মনের আরাম থাকাটা অপরিহার্য। ঠিক রান্নায় নুনের মতো। তাই আগে ঘরের ‘আপদ’ বিদায় করুন। বাড়ির নিত্যকার ক্লেশ-কলুষ, অশান্তি-দ্বন্দ্ব মেটাতে সাহায্য নিন ফেংশুইয়ের (Feng shui)। শুধু ঘরে এনে রাখুন। আর ‘নেগেটিভ এনার্জি’র ভূত ভাগান। বিস্তারিত জানালেন কোয়েল মুখোপাধ্যায়।

বাড়ির নাম ‘সুখনীড়’। অথচ সুখেরই ‘দেখা নাই’। উলটে সকাল থেকে রাত, লম্ফঝম্প-শোরগোল-চিৎকার আর ঝগড়াঝাঁটি লেগেই আছে। এক মুহূর্ত মুক্তি নেই। ঘরে সুখ-শান্তি ফিরিয়ে আনতে গৃহকর্তা অবিনবাবু কী না করেননি! যজ্ঞ করিয়েছেন, পুজো করিয়েছেন, নিয়ম করে গোটা বাড়িতে শান্তির জলও ছিটিয়েছেন। তবুও ‘সুখ’ ধরা দেয়নি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাহলে উপায়? এত চেষ্টা করেও কি ‘সুখনীড়’য়ে সুখ আসবে না? ফেংশুই বিশেষজ্ঞরা ধারেকাছে থাকলে হয়তো অবিনবাবুর জীবনের এই ট্র‌্যাজেডি বেশিদূর এগোত না। কারণ সমস্ত ঘর-বাড়ি ঘুরে দেখে, তাঁরা এমন কিছু পদ্ধতি বাতলে দিতেন, যা মেনে চললেই মিটত সমস্যা। এক ধরনের প্রাচীন চাইনিজ আর্ট ফেংশুই। তা মেনে ঘরে ছোট ছোট কিছু পরিবর্তন এবং সংযোজন করলেই পজিটিভ এনার্জি তথা অফুরান ইতিবাচক শক্তির সমাগম ঘটে। এরই ফলশ্রুতি হিসাবে অবসান হয় দ্বন্দ্ব, ক্লেশ আর অশান্তির। ঘরে সুখ-শান্তি ফিরে আসে। এই সব নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি ফেংশুই মতে ১০টি আদর্শ সামগ্রী ঘরে এনে রাখতে পারেন, যা থাকলে গৃহে শুধু সুখ-শান্তিই ফিরবে না। লক্ষ্মীলাভও হবে। যেমন –

লাকি ব্যাম্বু-
লাকি ব্যাম্বু গাছটি ফেংশুই দুনিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। দুই-তিন এবং চার লেয়ারেরও পাওয়া যায়। যে কোনও ধরনের আলোতেই বাড়তে পারে আর এর যত্নআত্তিরেও বেশি পরিশ্রম লাগে না।

কচ্ছপ-
ফেংশুই কচ্ছপ (টরটোয়েজ/টার্টেল) ঘরে বা অফিসে এনে রাখুন। এটি দীর্ঘায়ুর বার্তাবাহী। পাশাপাশি সুখ এবং সমৃদ্ধিও বয়ে আনে। তবে কোথায়, কীভাবে রাখছেন, তা জরুরি। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ইভিল আই-
নামেই স্পষ্ট, এটি কুনজর, কুপ্রভাব, নেতিবাচক এনার্জি দূর করে। সৌভাগ্যের জন্য অনেকেই ঘরে ইভিল আই রাখেন বা কাউকে উপহার দেন। ওয়াল হ্যাংগিং বা কি রিং হিসাবে বাজারে মেলে।

থ্রি লেগড ফ্রগ-
তিন পা-ওয়ালা মানি ফ্রগ পরিবারে অর্থ এবং সৌভাগ্য নিয়ে আসে বলে ফেংশুই মতে বিশ্বাস করা হয়।

লাফিং বুদ্ধৃ-
এই নাম কারও অজানা নয়। বহু ঘরে-অফিসে এর দেখা মেলে। তবে শুধুই ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য নয়, সৌভাগ্য পাওয়ার জন্যও।

 

[আরও পড়ুন: সদ্যই মা হয়েছেন? সন্তানের জন্য ঘর সাজান এভাবে, রইল কিছু টিপস]

উইন্ড চাইমস-
মিষ্টি, রিনরিনে আওয়াজ শুনতে কার না ভাল লাগে! উইন্ড চাইমসের দেখা তাই ঘরে ঘরে মেলে। তবে ফেংশুই মতে, পরিবারে আর্থিক অনটন চললে, তার থেকে মুক্তি পেতে উইন্ড চাইমস খুবই উপকারী। এটিকে ঘরের বাইরে টাঙান। বিশেষ করে অর্ধচন্দ্র আকৃতির, কাঠের বা ধাতুর তৈরি উউন্ড চাইম, যার মধ্যে ধাতব মুদ্রাও থাকবে, তেমন চাইমস বেছে নিন।

ক্রিস্টাল লোটাস-
ফেংশুই ক্রিস্টাল লোটাস প্রেমের বার্তাবাহী। তাই সৌভাগ্যের পাশাপাশি যদি সম্পর্কের ‘রোম্যান্টিক’তা ফিরিয়ে আনতে চান, অবিলম্বে কিনে ফেলুন ক্রিস্টাল লোটাস।

ম্যান্ডারিন ডাকস-
এটিও ‘লাভ সিম্বল’। পরিবারে অশান্তির কারণ যদি সম্পর্কের টানাপোড়েন হয়, আরোগ্যের জন্য ম্যান্ডারিন ডাকস এনে রাখতে পারেন। তবে কিনতে হলে জোড়ায় কিনবেন, উপহার দিতে হলেও জোড়াতেই দেবেন।

ফেংশুই ক্রিস্টাল-
আর্থিক সমৃদ্ধি চাইলে বাড়িতে ফেংশুই ক্রিস্টাল এনে রাখেন। এর ৮টি দিক, ৮ ধরনের উপকার করে। ফেংশুই মতে এর যথেষ্ট নামডাক রয়েছে।

ড্রিম ক্যাচার-
নানা ধরনের আকারে বাজারে পাওয়া যায়। কিনে বিছানার পাশে কোনও উঁচু জায়গায় রাখুন। নামেই বোঝা যাচ্ছে, যাঁরা দুঃস্বপ্ন দেখেন, রাতে ঘুমের মধ্যেও অস্বস্তি হয়, এই যন্ত্র তাঁদের জন্য। কারণ এটি খারাপ কোনও স্বপ্ন না দেখতে সাহায্য করে।

[আরও পড়ুন: সহজেই গেরস্থালির আনাচে কানাচে ছড়িয়ে দিতে পারেন সুগন্ধ, জেনে নিন সহজ উপায়]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.