Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
RBI repo rate

মুদ্রাস্ফীতি এবং করোনার কাঁটা, রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল RBI

জিডিপি নিয়ে কী পূর্বাভাস দিচ্ছে শীর্ষ ব্যাংক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২১, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২১, ১৫:১৪

options
link
মুদ্রাস্ফীতি এবং করোনার কাঁটা, রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল RBI zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতি এবং মুদ্রাস্ফীতির ধাক্কা সামাল দিতে আগামী ত্রৈমাসিকের রেপো রেট (Repo Rate) ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাংক। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা ঘোষণা করলেন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর তথা মনিটরি পলিসি কমিটির (MPC) চেয়্যারম্যান শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das)। যার অর্থ আগামী ৩ মাসও ঋণ দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার পরিবর্তন করছে না শীর্ষ ব্যাংক।

এই মুহূর্তে রিজার্ভ ব্যাংকের রেপো রেট চার শতাংশ এবং রিভার্স রেপো রেট আগের মতোই ৩.২৫ শতাংশ। প্রসঙ্গত, রিজার্ভ ব্যাংক যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোকে ঋণ দেয়, তা হল রেপো রেট। আর শীর্ষ ব্যাংক যে হারে অন্য বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়, সেটাকে বলা হয় রিভার্স রেপো রেট। রেপো রেট কমানোর অর্থ সুদের হার কমাতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে উৎসাহিত করা। যাতে মানুষ আরও ঋণ নেয় ও বাজারে টাকার জোগান বাড়ে। তবে এবার আর সেই পথে হাঁটল না রিজার্ভ ব্যাংক। এই নিয়ে টানা পাঁচ মনিটরি পলিসি বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হল। একইভাবে রিভার্স রেপো রেটও বদলানো হয়নি।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন দেশের প্রত্যেককে করোনা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে না? ব্যাখ্যা দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক]

রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে মুদ্রাস্ফীতির জেরে নাজেহাল আমজনতা। নতুন করে করোনা সংক্রমণের হার বৃদ্ধি দেশের বাজারে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। বেশ কিছু রাজ্য একাধিক বিধিনিষেধও জারি করেছে। এর ফলে অর্থনীতি ধাক্কা খেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত। তবে, আগামী মরশুমে জিডিপির পূর্বাভাসে বদল করেনি শীর্ষ ব্যাংক। আগামী অর্থবর্ষে জিডিপির পূর্বাভাস রাখা হয়েছে ১০.৫ শতাংশ। তবে আরবিআই গভর্নরের আশা, চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। মহামারী আবহে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর। তাঁর কথায়, “দেশের গড় অর্থনৈতিক বৃদ্ধি অর্থাৎ জিডিপির (GDP) অবস্থাও খুব একটা ভাল নয়”। শক্তিকান্ত দাসের আশঙ্কা, “২০২১-২২ সালেও জিডিপির অবস্থায় খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না”।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.