Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

ভোটে জিতলেই মিলবে উত্তম গোমাংস, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই বিজেপি নেতার

বিতর্কের আগুন ঘি ঢাললেন গেরুয়া শিবিরের নেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৩:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯, ১৩:৫৪

options
link
ভোটে জিতলেই মিলবে উত্তম গোমাংস, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এই বিজেপি নেতার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশ জুড়ে গো-হত্যা, গোমাংস বিক্রি বিরোধিতায় যেখানে পথে নেমেছে কেন্দ্রের শাসকদল। গো-হত্যা রুখতে যেখানে কড়া শাস্তিযোগ্য বিধান এনেছে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলি। সেখানেই বিপরীত হাওয়া বওয়ালেন কেরলের বিজেপি প্রার্থী। দলীয় নীতির ১৮০ ডিগ্রি বিপরীতে গিয়ে উত্তম গোমাংস সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিলেন কেরলের মলপ্পুরম লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের বিজেপি প্রার্থী এন শ্রীপ্রকাশ। ভোটে জেতার জন্য ওই কেন্দ্রের ভোটারদের উত্তম গুণমানের গোমাংস সরবরাহ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। আর এই বিতর্কিত নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কেরলে।

সম্প্রতি, কেরলে শাসকদল সিপিএম এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে লাগাতার সংঘাতের ঘটনা সুবিদিত। সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনায় রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মী এবং বামপন্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর মিলেছে। অন্যদিকে, দেশ জুড়ে গোমাংস বিক্রি, গো-হত্যা বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বিজেপি। সেই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতার এমন বক্তব্য দলের মধ্যে অস্বস্তি বাড়িয়েছে। যদিও ভারতের দক্ষিণের এই রাজ্যে গোমাংস ভক্ষণ কোনও নতুন বিষয় নয়। কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দেশ জুড়ে অসহিষ্ণুতা বিতর্ক মাথাচাড়া দেয়। সেই সময় রাজধানীর কেরালা হাউসের ক্যান্টিনে গোমাংস পরিবেশন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিক্ষোভ দেখায় আরএসএস এবং এবিভিপির সদস্যরা। তারপর ক্যান্টিন পরিদর্শনে পাঠানো হয় দিল্লি পুলিশকে। তখন সেই ঘটনায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। পরে কেরলে পালাবদল হয়। কংগ্রেসকে হারিয়ে ক্ষমতায় আসে সিপিএমের জোট সরকার। সিপিএমের সঙ্গে মতাদর্শগত বিরোধিতা থেকেই দক্ষিণের এই রাজ্যে নিজেদের ক্ষমতা বিস্তার করতে শুরু করে বিজেপি তথা সংঘ পরিবার। তখনই সংঘাত বাধে দু’পক্ষের মধ্যে। এরই মধ্যে বিতর্কের আগুনে ঘি ঢাললেন শ্রীপ্রকাশ। তবে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের বক্তব্যের যুক্তিও দিয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় থাকাকালীন গো-হত্যা নিষিদ্ধ করার জিগির তুলেছিল কংগ্রেস। তাঁর মতে, রাজ্যে গো-হত্যা নিষিদ্ধ হলে তবেই গোমাংস ভক্ষণে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। কেরল ভারতের এমনই কিছু হাতে গোনা রাজ্যের মধ্যে পড়ে যেখানে গোমাংস বিক্রি এবং ভক্ষণের উপর কোনও বিধিনিষেধ নেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু কেরলই নয়, উত্তর-পূর্বের অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের মতো বিজেপি ও তাদের জোটশরিক শাসিত রাজ্যগুলিতেও গো-হত্যায় কোনও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়নি। কেরলের মতোই এই রাজ্যগুলিও ব্যতিক্রমের তালিকাতেই পড়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.