Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Cyclone

আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়বে ‘যশ’, বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু জেলাগুলিতে

আমফান বিধ্বস্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে প্রস্তুতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২১, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২১, ১৮:৪২

options
link
আগামী সপ্তাহেই আছড়ে পড়বে ‘যশ’, বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু জেলাগুলিতে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ব্যুরো: ফণী কিংবা আমফানের স্মৃতি ফিরিয়ে আগামী সপ্তাহেই রাজ্যে আছড়ে পড়তে পারে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। ২২ থেকে ২৬ মে – এই পাঁচদিনের মধ্যে বাংলা (West Bengal) এবং ওড়িশার (Odissa) উপকূলে অঞ্চলে তাণ্ডবলীলা চালানোর সম্ভাবনা ‘যশ’-এর। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের তরফে এই পূর্বাভাস পাওয়া মাত্রই বিপর্যয় মোকাবিলায় (Disaster management) কাজ শুরু করে দিল রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তর। সূত্রের খবর, উপকূলের জেলা অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনকে সতর্ক করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের তরফে। ত্রাণশিবিরগুলিকে ফের নতুন করে তৈরি করা হচ্ছে বলে খবর।

দেশের পশ্চিমাঞ্চলে সবে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘তওকতে’। এবার ‘যশ’-এর পালা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, ২২ তারিখ থেকে ধীরে ধীরে শক্তি বাড়াবে সাইক্লোন (Cyclone), উত্তর আন্দামান সাগরের উপর তৈরি হবে ঘূর্ণাবর্ত। হাওয়ার গতি থাকতে পারে ৫৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। এরপর তার গতি আরও বাড়বে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তা প্রবলতর হয়ে উঠবে। ২৫ তারিখ রাতে কিংবা ২৬ তারিখ বঙ্গ ও ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়বে ‘যশ’, তখন তার গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার। সঙ্গে বৃষ্টি। তাই ওই সময়ে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে বেশি তাণ্ডব চালাতে পারে এই ঘূর্ণিঝড়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রথমে বোমাবাজি, তারপর গুলি, বিজেপির ‘তাণ্ডবে’ গুরুতর জখম তৃণমূল কর্মী]

এই পূর্বাভাস পাওয়ামাত্রই দুই ২৪ পরগনা, মেদিনীপুর-সহ ৩ জেলায় বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে। এদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জেলা প্রশাসনের তরফে বৈঠক করে জানানো হয়, ২৩ তারিখের মধ্যে সমস্ত সাইক্লোন শেলটারগুলি প্রস্তুত রাখতে হবে। চাল,ডাল, ত্রিপল ও খাদ্যপণ্যও মজুত করতে হবে। আবহাওয়া দপ্তর চূড়ান্ত সতর্কতা জারির পরপরই নদী তীরবর্তী এলাকা থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে ত্রাণশিবিরে। তবে সবটাই করতে হবে কোভিড বিধি মেনে।

[আরও পড়ুন: ৭ ঘণ্টা পড়ে হিন্দু বৃদ্ধের দেহ! এগিয়ে এলেন না আত্মীয়রা, সৎকার করলেন চাঁদ মহম্মদরা]

আসলে, আমফানের ক্ষত এখনও টাটকা। তাই ‘যশ’-এর আগমন বার্তা শুনে এই প্রস্তুতি রাজ্যের নতুন সরকারের। প্রতিটি মিউনিসিপ্যালিটি, পঞ্চায়েত সমিতি এবং বিডিওগুলিতে কন্ট্রোল রুম তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে প্রতি মুহূর্তে খবরাখবর পেতে সুবিধা হবে এলাকাবাসীর। ঘূর্ণিঝড় যখন আছড়ে পড়বে, সেসময় নদীতে কোটাল থাকায় বাড়বে প্রবল জল। তাই নদী বাঁধ ভেঙে গেলে দ্রুত মেরামতি করা সম্ভব হয়, তার জন্য সেচ দপ্তরকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতির জন্য কড়া নির্দেশ জারি করেছেন জেলাশাসক।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.