সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার টিকা (COVID vaccine) নিয়েছেন। টিকাকরণের ছবি তুলে পোস্টও করে দিয়েছেন ফেসবুকে। এবার শখ করে টিকার সার্টিফিকেটের (COVID-19 vaccination certificate) ছবিও তুলে ফেলে সেটাও শেয়ার করার কথা ভাবছেন? দয়া করে এমন কিছু করার আগে ভাবুন। এতে আপনার বিপদই বাড়বে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
ঠিক কী জানিয়েছে কেন্দ্র? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাদের ‘সাইবার দোস্ত’ টুইটার হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করেছে ওই পরামর্শ। সেখানে পরিষ্কার বলা হয়েছে, ‘‘আপনার টিকাকরণের সার্টিফিকেট সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার আগে সাবধান।’’
Beware of sharing #vaccination certificate on social media: pic.twitter.com/Tt9vJZj2YK
— Cyber Dost (@Cyberdost) May 25, 2021
[আরও পড়ুন: অ্যালোপ্যাথি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রামদেবের বিরুদ্ধে দায়ের ১ হাজার কোটির মানহানির মামলা]
কিন্তু কেন? সার্টিফিকেটের ছবি কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা উচিত নয়? সেকথাও পরিষ্কার জানানো হয়েছে ওই টুইটে। জানানো হয়েছে, ‘‘কোভিড-১৯ সার্টিফিকেটে আপনার নাম ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য থাকে। তাই এটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিতে শেয়ার করলে সাইবার অপরাধীরা তার অপব্যবহার করতেই পারে।’’
প্রসঙ্গত, করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিলে যে সার্টিফিকেটটি সেটি অস্থায়ী। দ্বিতীয় ডোজের পরেই মেলে চূড়ান্ত সার্টিফিকেট। এটি কিন্তু আধার কার্ড বা অন্যান্য নথির মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বিদেশ ভ্রমণের সময়। কেননা টিকাকরণের প্রমাণ না দিতে পারলে এই মুহূর্তে বহু দেশই আপনাকে সেখানে ঢোকার অনুমতি দেবে না।
ঠিক কী কী তথ্য থাকে প্রাথমিক টিকা সার্টিফিকেটে? তাতে কোন সংস্থার টিকা, টিকাকরণের তারিখ ও সময়, টিকাকরণ কেন্দ্রের পাশাপাশি টিকাগ্রহণকারীর নাম, তাঁর আধার কার্ডের শেষ চারটি সংখ্যাও থাকে। এছাড়াও আপনার পরের ডোজ কবে নেওয়ার কথা তাও উল্লেখ করা থাকে সেখানে। নিজের টিকাকরণের সার্টিফিকেট কোউইন পোর্টাল কিংবা আরোগ্যসেতু অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করে নেওয়া যায়।