সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাও দমনে বড়সড় সাফল্য পেল অন্ধ্রপ্রদেশ। বিশাখাপত্তনমে (Visakhapatnam) গ্রেহাউন্ড বাহিনীর শ্যেনদৃষ্টি এড়াতে পারল না মাওবাদীরা। বুধবার সকালের এনকাউন্টারে খতম ৬ নকশাল। গভীর জঙ্গলে গা ঢাকা দেওয়া বাকি নকশাল সদস্যদের খোঁজে হেলিকপ্টারে চড়ে নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশের এই বিশেষ দল।
অন্ধ্রপ্রদেশের পুলিশের কাছে খবর ছিল, বিশাখাপত্তনমের কইয়ুর বনাঞ্চলে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকজন মাওবাদী। তাদের মধ্যে একজন ডিসিএম কম্যান্ডার-সহ বেশকিছু শীর্ষ নেতারাও রয়েছেন। খবর পাওয়ার পর আর দেরি করেনি পুলিশ। অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ টিম গ্রেহাউন্ড (Greyhound) বাহিনীকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ঘটনাস্থলে। মাওবাদী-সহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দমনের জন্য তাঁরা বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। গভীর জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি শুরু করেন তাঁরা। পুলিশের উপস্থিতি টের পেতেই গুলি ছুঁড়তে শুরু করে মাওবাদীরা। পালটা গুলি চালায় গ্রেহাউন্ড বাহিনীর সদস্যরা।
[আরও পড়ুন: ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিকেশ ১ জেহাদি]
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, গুলির লড়াইয়ে এক মাও কম্যান্ডা-সহ মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একে-৪৭ রাইফেল, রিভলবার এবং প্রচুরি গুলি উদ্ধার হয়েছে। বাকিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। পুলিশের অন্য একটি সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল থেকে একে-৪৭ এর পাশাপাশি, থ্রি নট থ্রি , এসএলআর রাইফেল, কার্বাইনও মিলেছে। যা দেখে পুলিশের ধারণা, বড়সড় হমলার ছক কষছিল তারা। ‘অপারশেন’ সারতেই তারা ওই বনাঞ্চলে জড়ো হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, এনকাউন্টার চলাকালীন পুলিশের চোখে ধুলো দিতে গভীর জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে বহু মাওবাদী। এবার তাদের খোঁজে হেলিকপ্টারে চেপে নজরদারি চালাচ্ছেন গ্রেহাউন্ড বাহিনীর সদস্যরা। তবে পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মৃত বা জখম মাওবাদীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। এলাকাজুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন তারা।
[আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে প্রায় ৪০০ জনকে ‘ভুয়ো’ টিকাকরণ! আম্বানির হাসপাতালের প্রতিনিধি সেজে প্রতারণা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন