Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
leopard

চিতাবাঘের মুখে পড়েও রক্ষা, দুই ভাইয়ের প্রাণ বাঁচালো কেক!

ব্যাপারটা কী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২১, ২১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২১, ২১:৩৮

options
link
চিতাবাঘের মুখে পড়েও রক্ষা, দুই ভাইয়ের প্রাণ বাঁচালো কেক! zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একটু এদিক-ওদিক হলেই জন্মদিনের আনন্দ পরিণত হতে পারত বিষাদে। কিন্তু ২ পাউন্ডের কেকের দৌলতে কাটল বিপদ। প্রায় চিতাবাঘের মুখে পড়েও সুস্থ অবস্থায় বাড়ি ফিরল ২ ভাই। ঘটনাটি সুদূর মধ্যপ্রদেশের।

ভাবছেন নিশ্চয়ই ব্যাপারটা কী? মধ্যপ্রদেশের ভোপালের গোরাগিয়া গ্রামের বাসিন্দা দুই ভাই সাবির ও ফিরোজ। জন্মদিনের কেক আনতে ভাই সাবিরকে সঙ্গে নিয়েই নেপানগরে গিয়েছিলেন ফিরোজ। তাঁরা ভাবতেও পারেননি যে ফেরার পথে তাঁদের অপেক্ষায় এত বড় বিপদ। বাইকে যাওয়ার পথে আখ খেত থেকে বেরিয়ে আচমকা ফিরোজ-সাবিরকে লক্ষ্য করে ঝাঁপ মারে চিতাবাঘ। কোনওক্রমে বেঁচে যান ওই দুই যুবক। প্রাণ বাঁচাতে বাইকের গতি বাড়িয়েও লাভ হয়নি। গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে চিতাবাঘটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সোনার গয়নার ভারে কাহিল কনে, বিয়েতে দেওয়া যৌতুকের বহর দেখে তাজ্জব নেটদুনিয়া]

জানা গিয়েছে, আবারও সাবির-ফিরোজ পর্যন্ত পৌঁছে যায় ওই চিতাটি। বাইকের আড়ালে কোনওরকম নিজেদের বাঁচিয়ে নেয় তাঁরা। তৃতীয়বার সাবিরকে লক্ষ্য করে থাবা বসাতেই তা পড়ে যুবকদের সঙ্গে থাকা কেকের বাক্সে। এরপরই বুদ্ধি করে চিতাটিকে লক্ষ্য করে কেকটি ছুড়ে মারেন সাবির। সেই সময় কয়েকমুহূর্তের জন্য সম্বিত হারায় বাঘটি। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয় দুই ভাই। স্রেফ কেকের কারণেই কার্যত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে পারলেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: ‘কাকু’ বলে ডেকে গান্ধীমূর্তির চোখে সানগ্লাস পরালেন বর্ধমানের মদ্যপ, তারপর…]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.