রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: এবার বেসুরো বিজেপি যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক অমৃতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক লাইভে দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তিনি। তুলোধোনা করলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Rajib Banerjee) ও সব্যসাচী দত্তকে। বললেন, “দলের ভরাডুবির জন্য দায়ী ওদের মতো দালাল নেতা।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অমৃতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “আমি বা আমার মতো কার্যকর্তারা কারও হাত ধরে বিজেপিতে আসিনি। যেদিন থেকে রাজনীতি বুঝেছি, প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছি, ভোটাধিকার পেয়েছি, সেদিন থেকেই এই দলের সঙ্গে আছি। কিন্তু সকলে জানেন আমাদের মতো নেতারা কোনওদিন দল ছাড়বে না। তাই আমাদের চিন্তাভাবনা, আবেগকে একপ্রকার পদদলিত করা হচ্ছে। আমরা সমস্যার কথা কোথাও বলতে পারছি না। কেউ এমন নেই যাঁরা আমাদের কথা শুনবে। আমাদের বলার কোনও অধিকার নেই। কিন্তু মার আমাদের খেতে হয়। নেতারা ফোন ধরেন না। আমাদের মতো মোর্চার পদাধিকারীদের কার্যকতাদের কান্না শুনতে হয়।” রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে অমৃতা বলেন, “বারবার চার্টার্ড ফ্লাইটে করে দিল্লি গিয়েছেন, সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিজেপিতে এসে মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় বড় কথা বলেছেন। সেদিন বিরোধী দলনেতা তাঁর কাছের লোক ছিল। আজ প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করে তাঁর বিরুদ্ধে অনেক কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু ভারতীয় জনতা পার্টির দলনেতাকে আক্রমণ আমরা মানব না।”
[আরও পড়ুন: বরাকরে পুলিশ হেফাজতে যুবকের মৃত্যু ও অশান্তির জের, সাসপেন্ড ৫ পুলিশ আধিকারিক]
অমৃতা আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলে নিচ্ছেন না বলেই এখনও বিজেপি ছাড়ছেন না রাজীব। উনি এবং সব্যসাচী দত্তের মতো দালাল নেতাদের জন্যই দলের এই ভরাডুবি।” যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদকের প্রশ্ন, কেন এখনও শোকজ করা হল না রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সোনালী গুহকে ‘অপদার্থ’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। বিজেপি প্রার্থীদের নির্বাচনী এজেন্টদের সঙ্গে তৃণমূল যোগ নিয়েও ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি।
[আরও পড়ুন: নকল স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে ১২ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ, প্রতারিত TMC নেতা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন