ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: কামারহাটির অন্যান্য ওয়ার্ডেও ক্রমশ ছড়াচ্ছে ডায়রিয়ার (Diarrhoea) সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০ জনকে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। চারটি নতুন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে হাসপাতালে। রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এক থেকে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড পর্যন্ত সংক্রমণ ছিল। বুধবার তা আরও বিভিন্ন ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলত অবস্থা সামাল দিতে পুরসভা ও স্বাস্থ্যভবন একযোগে কাজ শুরু করেছে।
জল না খাবার, কোথা থেকে এমন সংক্রমণ শুরু হল, তা ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও স্পষ্ট নয়। তবে নতুন করে কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. রঘুনাথ মিশ্রের কথায়, “পেটে ব্যথা-বমি-জ্বর ও পেট খারাপ নিয়েই রোগীরা হাসপাতালে আসছেন।” গতকালও তাঁদের মল ও বমির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। আজও যারা আসছে তাঁদেরও কয়েকজনের নমুনা সংগ্রহ করে নাইসেডে পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টি যে ভাবাচ্ছে স্বাস্থ্যকর্তাদের তা স্পষ্ট।
[আরও পড়ুন: Arjun Singh: মাঝরাতে অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, নিশানায় CRPF জওয়ানরাও]

সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের একাংশের বক্তব্য জল ও খাবার দু’টি থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এবং তা বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড জুড়েই। এমনকী, অন্য এলাকা থেকে যাঁরা গত কয়েক দিন ধরে ১-৫ ও অন্যান্য ওয়ার্ডে আত্মীয়র বাড়িতে এসেছিলেন তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়েছে। অসুস্থও হয়েছেন। হাসপাতালে ভরতি হয়েছেন।

সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক, মেডিসিন,কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সমস্ত শয্যা আগে কোভিড চিকিৎসার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। সেই ওয়ার্ডগুলি এখন ফাঁকা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেই সব ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। ৯০ জন হাসপাতালে ডায়রিয়ার লক্ষ্মণ নিয়ে ভরতি। এর বাইরেও এদিন দুপুর পর্যন্ত ২২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছে স্বাস্থ্যভবন।
[আরও পড়ুন: কামারহাটিতে আন্ত্রিকে ২ জনের মৃত্যু নিয়ে বিবৃতি স্বাস্থ্যভবনের, পরিস্থিতি মোকাবিলায় পদক্ষেপ]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন