সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশ জুড়ে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। রবিবার রাতে রাজধানীর ঢাকার বুক থেকেই গ্রেপ্তার করা হল ছয় জঙ্গিকে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছে আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকও। জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাজধানীর তিঝিল ও আশুলিয়া এলাকেভ অভিযান চালায় পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা। সেই অভিযানে ধরা পড়ে ওই জঙ্গিরা। ধৃত জঙ্গিরা আনসারুল্লাহ বাংলা টিম ও জেএমবি জঙ্গিগোষ্ঠীর সদস্য বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ধৃতদের থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
[অন্তর্বাস খোলার নির্দেশ, পড়ুয়াদের মর্যাদা কাড়ার অভিযোগ কংগ্রেসের]
উল্লেখ্য, দুদিন আগেই নদীয়া সীমান্ত সংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জঙ্গি ডেরায় পুলিশের অভিযানে নিহত জয় দুই জঙ্গি। এর আগে এপ্রিলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোড়াহাটি গ্রামে আবদুল্লাহ নামে ধর্মান্তরিত এক ব্যক্তির বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দুদিনের অভিযান শেষে ওই জঙ্গি আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হলেও সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। ওই অভিযানের এক সপ্তাহের মাথায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের আরেক জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে সোয়াটের ‘অপারেশন ঈগল হান্ট’ শেষে গত ২৭ এপ্রিল চারজনের দেহ উদ্ধার হয়, যারা নিজেদের ঘটানো বিস্ফোরণে নিহত হয় বলে পুলিশের দাবি।
[OMG! এই ব্যক্তি ২০১৫-তেই জানতেন, বাহুবলীকে কেন কাটাপ্পা মারল!]
প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় এসেই বাংলাদেশে জাল বিস্তার করা জেহাদিদের নির্মূল করতে চেষ্টায় খামতি রাখছেন না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যে দেশ জুড়ে চলা জঙ্গিদমন অভিযানে নিকেশ করা হয়েছে বেশ কয়েক জন জঙ্গিকে। তবে সরকার চেষ্টা করলেও বাংলাদেশে ক্রমশ বেড়ে চলেছে ইসলামিক চরমপন্থীদের প্রভাব। সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দুদের উপর আক্রমণের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে অস্বাভাবিক ভাবে। সম্প্রতি, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর এলাকার পালানপাড়া গ্রামে সংখ্যালঘু ১২টি হিন্দু পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে তাঁদের ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।