সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের প্রতিরক্ষার গুরুদায়িত্ব ওঁদের কাঁধে। তা পালন করতেই দিনরাত পড়ে থাকতে হয় অজানা-অচেনা স্থানে। ঘর-বাড়ি, পরিবার-আত্মীয়বন্ধু সকলকে ছেড়ে কেবল হত্যে দিয়ে পড়ে থাকা। মাঝে মধ্যেই শত্রুদের আক্রমণ। কখনও তা আসে মাও বেশে, কখনও সন্ত্রাসের মুখোশ পরে, কখনও আবার বিচ্ছিন্নতাবাদের ধ্বজা উড়িয়ে আসে বিক্ষোভকারীদের দল। বুক চিতিয়ে সমস্ত আক্রমণ প্রতিরোধ করেন তাঁরা। চোখের জল মুছে কাঁধে তোলেন গতরাতের গল্প শোনানো সহকর্মীর মুণ্ডহীন দেহ। শরীরে ক্ষত শুকিয়ে যায়, কিন্তু মন যে তাঁদেরও ভেঙে পড়ে। অবসাদ তো ওঁদেরও এসে গ্রাস করে।
[মদ্যপান করেছিলেন বিক্রম, জেরায় স্বীকার অভিনেতা অনিন্দ্যর]
এমন অবসাদ থেকেই জওয়ানদের মুক্ত করতে যোগের সাহায্য নিলেন জম্মুতে নিযুক্ত সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের আধিকারিকরা। জওয়ানদের জন্য আয়োজন করা হয় একটি বিশেষ যোগ অনুষ্ঠান। নাম দেওয়া হয় ‘সুক্ষম যোগা’। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জম্মু ও কাশ্মীর এলাকার সিআরপিএফের স্পেশ্যাল ডিজি এস এন শ্রীবাস্তব। বিশেষ এই যোগের মাধ্যমেই মনোবল বাড়বে সিআরপিএফ জওয়ানদের। এমনটাই মনে করেন তিনি।
[মুখ পুড়ল পাকিস্তানের, কুলভূষণের ফাঁসিতে স্থগিতাদেশ বিশ্ব আদালতের]
জওয়ানদের সুক্ষম যোগের সমস্ত নিয়মকানুন শেখালেন ডা. অমৃত রাজ। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাটিলের যোগা প্রশিক্ষক ছিলেন তিনি। ডা. রাজের মতে, যোগই একমাত্র উপায় মনের সমস্ত চিন্তা-ভাবনা থেকে রেহাই পাওয়ার। এতে যেমন শরীর সুস্থ হয়। তেমনই এর প্রাত্যহিক অভ্যাস মনকে করে তোলে আরও দৃড়। জম্মু-কাশ্মীরের মতো এলাকায় যেখানে দিনের পর দিন জওয়ানদের বাইরের শত্রুদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে। আবার ঘরে বিদ্রোহীদেরও আটকাতে হচ্ছে। সেখানে মনেরও অশান্ত হওয়াটা স্বাভাবিক। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জওয়ান হলেও ওঁরাও যে মানুষ। ওঁদেরও ভাল লাগা মন্দ লাগা রয়েছে, এটা মাথায় রাখতে হবে। তাই মন ভাল রাখতে যোগই সেরা অস্ত্র বলে মনে করেন প্রখ্যাত প্রশিক্ষক।
[প্রধানমন্ত্রী এসে বারণ করলেও গাড়িতে লালবাতি ব্যবহার করব: বরকতি]