Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Fish

সুন্দরবনের নদীতে দৈত্যাকার মাছ, দাম উঠল ৫০ লক্ষ টাকা

প্রতি কেজিতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা দাম ওঠে মাছটির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২১, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০২১, ১৮:১৭

options
link
সুন্দরবনের নদীতে দৈত্যাকার মাছ, দাম উঠল ৫০ লক্ষ টাকা zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: সুন্দরবনের নদীতে মিলল দৈত্যাকার মাছ। যার দাম উঠল কয়েক লক্ষ টাকা। আর সেই মাছ ঘিরে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল ক্যানিং এলাকায়। মাছটি জাতে তেলে ভোলা। ওজন ৭৮ কেজি। সুন্দরবনের নদীতে মৎস্যজীবীদের জালে মাছটি ধরা পড়ে। তারপর তা ক্যানিং মাছ বাজারের আড়তে আনা হয়। ৫০ লক্ষাধিক টাকায় এই মাছটি বিক্রি হবে এমনই অনুমান করেছিলেন মৎস্যজীবীরা।

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবার দুলকি গ্রাম থেকে একদল মৎস্যজীবী সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। শুক্রবার তাঁদের জালে ধরা পড়ে প্রায় সাত ফুট লম্বা এই মাছ। এটি একটি পুরুষ মাছ জানিয়েছেন মৎস্যজাবীরা। এরপর তারা মাছটি নিয়ে চলে আসে এলাকায়। ক্যানিংয়ে আনার পর মাছটির দাম ওঠে প্রতি কেজিতে প্রায় ৪৫ হাজার টাকা।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: সাতসকালে বোমা বিস্ফোরণ মালদহে, তীব্রতায় ভাঙল বাড়ির ছাদ]

 
মৎস্যজীবী বিকাশ মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। প্রতিবছর মূলত ভোলা মাছ ধরতে যান তিনি। তবে এত বড় ভোলা মাছ এর আগে কখনও বিক্রি হয়নি তার নৌকা থেকে। মাছটি কেনার জন্য শুধু জেলা নয়, কলকাতা ও অন্যান্য জেলা থেকেও বহু মৎস্যজীবী  ভিড় করেন। কিন্তু কেন এত দাম উঠল মাছটির?
 

মূলত এই মাছটির এত দাম হওয়ার কারণ হল এই মাছের পেটের মধ্যে থাকা পটকা। যা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ঔষধি জিনিসপত্র তৈরি হয়। অস্ত্রোপচারের পর সেলাইয়ের কাজ ব্যবহার করা হয়।

[আরও পড়ুন: ২৩ বছরের অপেক্ষা শেষ, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তৎপরতায় মায়ের কাছে ফিরলেন নিখোঁজ ছেলে]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.