Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Lakshmir Bhandar

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ এবার নথিভুক্ত তৃতীয় লিঙ্গও!

মহিলাদের সঙ্গেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের আওতায় চলে এলেন অরুণাভও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২১, ১২:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২১, ২০২১, ১২:৫৯

options
link
‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’ এবার নথিভুক্ত তৃতীয় লিঙ্গও! zoom

কল‌্যাণ চন্দ্র, বহরমপুর: এবার তৃতীয় লিঙ্গের (Third Gender ) প্রতিনিধিদের জন্য সুখবর। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় এই প্রথম কোনও তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধির নাম ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে নথিভুক্ত হল। এবার সেই জেলার সমস্ত তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিরাও নাম নথিভুক্ত করবেন বলে খবর।

বহরমপুরের অরুণাভ নাথ নামে ওই তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধির মোবাইলে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের ‘আইডি’ নম্বর চলে এসেছে। বিষয়টি জানতে পেরে উচ্ছ্বসিত অরুণাভ-সহ জেলার তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিরা। মুর্শিদাবাদ জেলায় প্রায় ৫০০ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ আছেন। এবার তাঁরা সকলেই ওই প্রকল্পে আবেদন করতে চলেছেন বলে জানা গিয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দিঘায় কাঁকড়া ভাজা খেয়ে বিপত্তি, প্রাণ গেল বেহালার পর্যটকের]

শনিবার এই বিষয়ে মুর্শিদাবাদের অতিরিক্ত জেলাশাসক সিরাজ দানেস্বর বলেন, “জেলার ১৫ লক্ষ ৫০ হাজার মহিলা ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে আবেদন করেছেন। অরুণাভ নাথের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অনুমোদন এসে গিয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরাও ওই প্রকল্পে আবেদন করছেন। তাঁদের আবেদনও গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা করছি। ওই প্রকল্পের সুবিধা পেতে স্থানীয় ব্লক অফিসে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা আবেদন করতে পারেন।”

রাজ্য সরকারের ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে ওই প্রকল্পের সুবিধা পেতে আবেদন করেছিলেন বহরমপুরের ইন্দ্রপ্রস্থের বাসিন্দা তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধি অরুণাভ নাথ। এবার জেলার মহিলাদের সঙ্গেই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের আওতায় চলে এলেন অরুণাভ।

[আরও পড়ুন: ভেস্তে গেল পাচারের ছক, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার ৩০১ কেজি গাঁজা , ধৃত চার]

এদিন অরুণাভ বলেন, “গত ৩ নভেম্বর ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে আবেদন করেছিলাম। আবেদন পত্রে ‘স্ত্রী’ বা ‘কন্যা’ ছাড়া আর কোনও ‘অপশন’ ছিল না। ফলে কোথায় টিক মারব, তা ভেবেই পাচ্ছিলাম না। সেখানে তৃতীয় লিঙ্গের কোনও উল্লেখ ছিল না। ফলে ওই জায়গা ফাঁকা রেখেই আবেদন করেছিলাম। আবেদন করেও সন্দেহ ছিল আমার। মোবাইলে এসএমএস এসেছে। আমি খুবই খুশি।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.