সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝেও আজ অর্থাৎ সোমবার ভারত সফরে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে ভারত-রাশিয়া সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন তিনি। পাশাপাশি, টু প্লাস টু বৈঠকে অংশ নিতে ইতিমধ্যে দিল্লির পালম বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছেন রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ।
Russian Foreign Affairs Minister Sergey Lavrov arrives at Delhi Palam airport
AdvertisementHe will meet External Affairs Minister Dr. S Jaishankar and take part in the 2+2 Ministerial Dialogue between India and Russia pic.twitter.com/oMpQCbIAuV
— ANI (@ANI) December 5, 2021
[আরও পড়ুন: সাতাত্তরের বৃদ্ধের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন ২০ বছরের তরুণী, শীঘ্রই করবেন বিয়েও!]
২০১৯ সালের নভেম্বরে ব্রাসিলিয়ায় ব্রিকস সামিটের পর এই প্রথমবার বৈঠকে বসতে চলেছেন মোদি ও পুতিন। দুই দেশের সম্পর্ক যে অত্যন্ত মজবুত সেই ইঙ্গিত দিয়ে করোনার নয়া স্ট্রেন ‘ওমিক্রন’ সংক্রমণের মধ্যেও সফর বাতিল করেননি রুশ প্রেসিডেন্ট। জানা গিয়েছে, সামিটে দুই দেশের মধ্যে একাধিক বিষয়ে আলোচনা হবে। প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা-সহ একাধিক চুক্তি হতে পারে দুই দেশের মধ্যে। বিশেষ করে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা আরও বাড়িয়ে তোলার বিষয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট পুতিন।
এই বার্ষিক সম্মেলনের আগে দুই দেশের মধ্যে টু প্লাস টু অর্থাৎ বিদেশ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রক স্তরে বৈঠক হতে চলেছে। নয়াদিল্লিতে রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। একইভাবে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শইগুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এক বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী বলেন, “এই বৈঠকে রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ে আলোচনা হবে।”
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পুতিনের বৈঠকে এস-৪০০ মিসাইল সিস্টেম (S-400 Missile System) নিয়ে আলোচনা হতে পারে। দেওয়া হতে পারে সেই ক্ষেপনাস্ত্রের প্রেসেন্টশনও। বলে রাখা ভাল, এই মিসাইল সিস্টেমের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ইতিমধ্যে ভারতে পৌঁছতে শুরু করেছে। যা নিয়ে ঘোর আপত্তি রয়েছে আমেরিকার। এমনকী, ঘাড়ে করে বহন করা যায় এমন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইগলা নিয়েও দু’দেশের মধ্যে কথা চলছে। এই অস্ত্রগুলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে চলে এলে আরও শক্তিশালী হবে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।