Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

গ্রাম ‘দত্তক’ নিলেন সাংসদ দেব

দুই মেদিনীপুর জেলায় একমাত্র সাংসদ দেবই এত দ্রুত প্রকল্প জমা দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৬, ০৮:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৬, ০৮:৩৯

options
link
গ্রাম ‘দত্তক’ নিলেন সাংসদ দেব zoom

শ্রীকান্ত পাত্র: গ্রাম দত্তক নিলেন দেব৷ রুপোলি পর্দায় নয়, বাস্তবে৷ গ্রাম সাংসদ আদর্শ গ্রাম যোজনা প্রকল্পে ঘাটালের দেওয়ানচক গ্রাম পঞ্চায়েতকে দত্তক গ্রাম (আদর্শ গ্রাম) হিসাবে নিলেন ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব৷ এর জন্য তিনি ১০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পও জমা দিয়েছেন৷ কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ছাড়পত্র পেলেই দেওয়ানচক গ্রাম পঞ্চায়েত আদর্শ গ্রাম হিসাবে স্বীকৃতি পাবে বলে ঘাটাল ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে৷

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী চৌধুরি বীরেন্দ্র সিংয়ের চিঠি পেয়ে আদর্শ সাংসদ দেব ঘাটালের বিধায়ক শংকর দলুইকে সঙ্গে নিয়ে গ্রাম খুঁজতে নেমে পড়েন৷ অবশেষে ঘাটালের সর্বাধিক বন্যাক্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত দেওয়ানচক দুই-কে আদর্শ গ্রাম হিসাবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি৷ সাংসদ আদর্শ গ্রাম যোজনা প্রকল্পের নিয়ম মেনে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাছে ১০০ কোটি টাকার একটি প্রজেক্ট জমা দিয়েছিলেন গত বছর৷ সেই প্রকল্প অনুমোদন করে রাজ্য গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত দফতরে পাঠিয়ে দিয়েছেন জেলাশাসক জগদীশ প্রসাদ মিনা৷ জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্য দফতর হয়ে প্রকল্পটি জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দফতরে৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কী রয়েছে এই প্রকল্পে? কেমনই হবে আদর্শ গ্রাম? দেওয়ানচক গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে নির্বাচিত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ বিকাশ কর বলেন, “দেওয়ানচক দুই গ্রাম পঞ্চায়েতের রাস্তাঘাট, পানীয় জল, কালভার্ট, ব্রিজ, বিদ্যালয় ভবন, কমিউনিটি হল, ব্যাঙ্ক-সহ সমস্ত ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে এই আদর্শ গ্রাম যোজনা প্রকল্পে৷ সাংসদ দেবের সঙ্গে আমরা আলোচনা করে মোট ১০১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প তৈরি করেছি৷ যা কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন হয়ে হলে এলাকার চেহারাটাই বদলে যাবে৷” গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩টি সংসদকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর৷ শুধু রাস্তাঘাটের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩ কোটি টাকা৷ রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল, আইসিডিএস সেন্টার, গোরস্থান, শ্মশানচুল্লি এমনকী মোবাইল টাওয়ারও৷ জানা গিয়েছে, দুই মেদিনীপুর জেলায় একমাত্র সাংসদ দেবই এত দ্রুত প্রকল্প জমা দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের প্রশংসা কুড়িয়ে নিয়েছেন৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.