সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের মার্কিন মুলুকে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হতে হল এক ভারতীয় বংশোদ্ভূতকে। আমেরিকার জেএফকে বিমানবন্দরের (JFK Airport) সামনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক শিখ ক্যাবচালককে রীতিমতো মারধর ও হেনস্তা করল অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক। খুলে নেওয়া হল ওই শিখ ক্যাবচালকের পাগড়িও। ভিডিও ভাইরাল হতেই এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল।
Throughout this pandemic we’ve seen the rise in hate crimes against #AAPI and also Sikh Americans who have been increasingly attacked and singled out https://t.co/qiR51DOIK4
Advertisement— Navjot Pal Kaur (@navjotpkaur) January 4, 2022
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জানা গিয়েছে ঘটনাটি গত ৪ জানুয়ারির। টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে নভজ্যোত পাল কৌর (Navjot Pal Kaur) নামের এক মহিলা দাবি করেছেন, আমেরিকায় প্রতিদিন বর্ণবিদ্বেষ বেড়েই চলেছে। করোনা (Coronavirus) মহামারীর সময় এই ধরনের বিদ্বেষের ছবি বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। তাঁর পোস্ট করা ২৬ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাতপরিচয় মার্কিন যুবক এক শিখ ক্যাবচালককে মারধর করছে। বচসা চলাকালীন শিখ ক্যাবচালকের পাগড়িটিও খুলে দিয়েছে ওই যুবক। সেই সঙ্গে চলছে অকথ্য গালিগালাজ।
[আরও পড়ুন: ফ্রান্সের নয়া ভ্যারিয়েন্ট IHU কতটা বিপজ্জনক? অবশেষে মুখ খুলল WHO]
ভিডিওটি ভাইরাল হতেই এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল (India’s Consulate General)। মার্কিন প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার তদন্ত দাবি করে তিনি জানিয়েছেন,”এই ধরনের ঘটনা ভীষণভাবে বিরক্তিকর। আমরা এই বিষয়টি নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত তদন্ত দাবি করেছি।” মার্কিন প্রশাসনের দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়ার ব্যুরোও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে। মার্কিন মুলুকের শিখ ধর্মাবলম্বীরা এই ঘটনায় একপ্রকার গর্জে উঠেছেন। যদিও বাইডেন প্রশাসনের তরফে এ নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
US | Terming the attack on a Sikh taxi driver at the JFK International Airport as “deeply disturbing”, Department of State’s South and Central Asian Affairs Bureau said they condemn any form of hate-based violence pic.twitter.com/at3Mrbwol1
— ANI (@ANI) January 9, 2022
বস্তুত, মার্কিন মুলুকে জাতি তথা বর্ণবিদ্বেষ নতুন কিছু নয়। আমেরিকাবাসীদের কাছে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা আকছার ঘটছে। এবার এ ব্যাপারে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ চাইছে সেদেশের ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা।