সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন বছরের গোড়াতেই রাজ্যজুড়ে জারি হয়েছিল কড়া কোভিডবিধি। তার সুফলও মিলছে। ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছে বাংলা। আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে দৈনিক সংক্রমণ। আর তাই পুণ্যার্থীদের জন্য গর্ভগৃহ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কালীঘাট মন্দির (Kalighat Temple) কর্তৃপক্ষ।
মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকেই খুলে যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহ। তৃতীয় ঢেউ এবং নয়া স্ট্রেন ওমিক্রনের (Omicron) দাপটে গত ১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ ছিল গর্ভগৃহ। শুধুমাত্র পুজো-আরতি চলছিল। তারই মধ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করে কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। করোনা কালে মন্দিরের দরজা পুণ্যার্থীদের জন্য খোলা থাকলেও, গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন না কেউ। বাইরে থেকেই দেবীর দর্শন সারতে হবে, পুজোও দিতে হবে। গত ১১ জানুয়ারি থেকে ২৬ তারিখ, অর্থাৎ আজ পর্যন্ত এই নিয়ম মেনেই কালীঘাট মন্দিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশিকার সময়সীমা শেষ হওয়ার দিনই জানিয়ে দেওয়া হল বৃহস্পতিবার থেকে খুলে যাবে গর্ভগৃহ।
[আরও পড়ুন: অবিকল মা ভবতারিণীর মূর্তির মতোই আরও দুই মূর্তি আছে বাংলায়, কোথায় জানেন?]
করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতির কারণে নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্যের বেশ কিছু ধর্মীয় স্থানের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিণেশ্বরে এবারও ভক্তহীন কল্পতরু উৎসব হয়েছে। পাশাপাশি বেলুড় মঠ (Belur Math) অনির্দিষ্টালের জন্য বন্ধ হয়। এছাড়া ভারত সেবাশ্রম সংঘের অনেক সদস্যই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাই সংঘের কোনও কোনও শাখায় বাইরের কারও ঢোকার উপরও জারি হয় নিষেধাজ্ঞা।
তবে কোভিডবিধি মেনে তারাপীঠে পুজো দিতে পারছেন পুণ্যার্থীরা। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এবার করোনা প্রোটোকল মেনে হয় গঙ্গাসাগর মেলাও। আর এবার কলকাতার করোনা পরিস্থিতি খানিকটা স্বস্তিজনক হওয়ায় কালীঘাটের গর্ভগৃহ খোলার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হল।
[আরও পড়ুন: দক্ষিণেশ্বরই ছিল তাঁর শক্তির উৎস, মাতৃমন্দিরে নিয়মিত যেতেন নেতাজি, গাইতেন মায়ের গান]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন