সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের পাশেই রয়েছে আমেরিকা (America)। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। আগ্রাসী চিনকে হুঁশিয়ার করে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন বিদেশদপ্তর। এশিয়া মহাদেশে ‘ড্রাগন’কে রুখতে ‘আঙ্কল স্যাম’ যে ভারতের উপর নির্ভর করছে এবার তা আরও স্পষ্ট বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
[আরও পড়ুন: COVID-19: বহু দেশেই শিথিল হচ্ছে নিষেধাজ্ঞা, ওমিক্রনকে হারিয়ে মুক্তির পথে বিশ্ব?]
বৃহস্পতিবার মার্কিন বিদেশদপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, “ভারত-চিন সীমান্ত বিবাদ সমাধানে আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পথকেই সমর্থন করে আমেরিকা। তবে পড়শি দেশগুলিকে ভয় দেখানোর যে প্রবণতা বেজিংয়ের রয়েছে তা নিয়ে আমরা আগেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছি। এবং আমরা যা সংসময় করি এবারও তাই করব, অর্থাৎ আমরা বন্ধুদের পাশে দাঁড়াব। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের সমৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার খাতিরে আমরা মিত্রদেশগুলির সঙ্গে সহযোগীতা করব।” এছাড়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গেও কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়ে জোর দেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র নেড প্রাইস।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শীতকালীন অলিম্পিক গেমসে গালওয়ান হামলায় জড়িত লালফৌজের অফিসারকে মশালবাহক করেছে চিন। আর তারফলেই তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত। বেজিংকে কড়া জবাব দিয়ে অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপন অনুষ্ঠান বয়কট করেছে নয়াদিল্লি। তার আগেই অবশ্য ওই ক্রীড়া প্রতিযোগিতা কূটনৈতিক স্তরে বয়কট করে আমেরিকা।
বলে রাখা ভাল, ভারত, আমেরিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এই চার দেশকে নিয়ে গঠিত হয়েছে কোয়াড। মূলত, চিনকে নজরে রেখেই এই জোট তৈরি হয়েছে। তবে করোনা মহামারীর বিরুদ্ধেও নেমেছে কোয়াড। ভারতের উৎপাদনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গোটা বিশ্বে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিয়ে ‘টিকা কূটনীতি’য়ে বেজিংকে টেক্কা দেওয়ার পদক্ষেপ করছে এই জোট। এবার কোয়াড গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে চিনের উপর ছাপ আরও বাড়িয়ে তুলতে তৎপর হয়েছে আমেরিকা বলেই মত বিশ্লেষকদের।