Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

পাহাড়ের অশান্তি নিয়ে হাই কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

ঘোলা জলে সুবিধা লুটতে নেমেছে বিরোধীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২২, ১৫:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২২, ১৫:১৮

options
link
পাহাড়ের অশান্তি নিয়ে হাই কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক :  পাহাড়ের অশান্তির আঁচ মহানগরে। দার্জিলিংয়ের পরিস্থিতি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে হল জনস্বার্থ মামলা। পাহাড়ের অবস্থা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরে দোষীদের শাস্তির দাবিও উঠেছে। এদিকে পাহাড়ের অচলাবস্থার দায় রাজ্যের ওপর চাপিয়েছেন বিমল গুরুং। বিমান বসুও প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ।

[দার্জিলিংয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের শহরে ফেরাতে বিনামূল্যে বাসের ব্যবস্থা মমতা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মোর্চার গা-জোয়ারি, তাণ্ডব। চেনা পাহাড় আচমকাই অস্বাভাবিক। পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্কের স্রোত। সরকারি সম্পত্তি অবাধে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ। বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলনের নামে গোর্খা জনমুক্তির এমন কার্যকলাপে অশান্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়। খোদ মুখ্যমন্ত্রী পাহাড়ে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন। পাহাড়ে অশান্তির আঁচ এবার আদালতে গড়াল। এই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে হল জনস্বার্থ মামলা। দার্জিলিংয়ের বর্তমান অচলাবস্থা নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে এ ধরনের বনধ অনৈতিক, বেআইনি। সম্প্রতি সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর নিয়ে কঠোর আইন পাশ করেছে রাজ্য সরকার। জনস্বার্থ মামলায় পাহাড়ে অশান্তিতে যুক্ত দোষীদের শাস্তির দাবি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যাতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় তার জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে। হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি নিশিথা মাত্রের এজলাসে সোমবার  এই মামলার শুনানি।

[ম্যাল থেকে হাসপাতাল, মমতার তৎপরতায় ছন্দে ফিরছে পাহাড়]

পাহাড়ের অশান্তির জন্য আঙুল উঠেছে বিমল গুরুংয়ের দিকে। চাপে পড়ে মোর্চা সুপ্রিমো পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় হেঁটেছেন। গুরুংয়ের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে এসে বিভাজনের রাজনীতি করছেন। বৃহস্পতিবারের গণ্ডগোলের দায় গুরুং তৃণমূলের ঘাড়ে চাপিয়েছেন। মোর্চা সুপ্রিমোর অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েকজন পুলিশের ওপর পাথর ছোড়ে। মোর্চাকে ফাঁসানোর জন্য পরিকল্পনামাফিক এই ঘটনা। তাঁর দাবি, গত ৯ এপ্রিল পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় এভাবেই মোর্চাকে জড়ানো হয়েছিল। দার্জিলিং নিয়ে দায় এড়ালেও,  গুরুং বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছেন। গুরুংয়ের আস্ফালনের পাশাপাশি জলঘোলা করতে নেমে পড়েছে রাজ্যের অন্য রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু পাহাড় পরিস্থিতির জন্য রাজ্য সরকারকেই দুষেছেন। বিমান বসুর অভিযোগ, পাহাড়ে বিভাজনের রাজনীতি করছে সরকার। তাদেরকেই এর দায় নিতে হবে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.