সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার গিয়েছিলেন শম্ভুনাথ পণ্ডিত ও রামরিক হাসপাতালে। চত্বরে জমা জঞ্জাল দেখে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তাঁর এক কথাতেই শুরু হয় সাফাই কাজ। আজ বুধবারও সরকারি হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন যাওয়ার পথে আচমকাই যান এসএসকেএম হাসপাতালে।
[ চালকের কানে ফোন? এমন ছবি তুললেই মিলবে পুরস্কার ]
রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা ফেরাতে একের পর এক উদ্যোগ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিভিন্ন সময়ে গর্ব করে বলেছেন স্বাস্থ্য পরিষেবায় তাঁর সরকারের অগ্রগতির কথা। সেই সরকারি হাসপাতালেই অব্যবস্থা দেখে গতকাল প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে সঙ্গে জঞ্জাল সাফ করার নির্দেশ দেন মেয়রকে। তাঁর এক কথাতেই শম্ভুনাথ পন্ডিতে গিয়ে হাজির হন পুরসভা কর্মীরা। তড়িঘড়ি সাফ হয়ে যায় চত্বর। খুশি হন অসুস্থদের পরিবারের সদস্যরাও। তবে একদিন গিয়েই নিজের দায়িত্ব মিটিয়ে ফেললেন না। বুধবার নবান্ন যাওয়ার পথে মুখ্যমন্ত্রী নামলেন এসএসকেএমে। খতিয়ে দেখলেন সেখানকার পরিস্থিতি।
[ চলন্ত ট্রেনে মহিলা যাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার প্যান্ট্রি কারের কর্মী ]
এদিন নবান্ন যাওয়ার পথে রাজভবনেও নামেন মুখ্যমন্ত্রী। দেখা করেন রাজ্যপালের সঙ্গে। পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই কেন্দ্র রিপোর্ট তলব করেছে। গুরুংদের জঙ্গি আন্দোলন প্রায় একার হাতেই শান্ত করেছেন। ইতিমধ্যে তা অনেকটা থিতিয়ে এসেছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনা করতেই আজ রাজ্যপালের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সাক্ষাৎ করেন বলেই জানা যাচ্ছে।
এদিকে পাহাড়ে মোর্চার ডাকা বনধের আজ তৃতীয় দিন। যদিও বনধের তেমন কোনও প্রভাব পড়েনি সরকারি প্রতিষ্ঠানে। তবে অশান্তির জেরে বেশিরভাগ পর্যটক সমতলে ফিরে আসারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।