সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভাবের তাড়না কারও মধ্যে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জেদ বাড়িয়ে দেয়। আবার অভাবের কারণেই আত্মহত্যার পথও বেছে নেন অনেকেই, ধ্বংস হয়ে যায় গোটা একটি পরিবার। ঠিক যেমনটা ঘটেছে পাঞ্জাবের কাপুরথালায়। অভাবের জ্বালা সহ্য করতে না পেরে তিন বোন, এক ভাই ও এক তুতোভাইকে বিষ খাইয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে চার ভাইবোনেরই। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি ওই যুবকের তুতো ভাই।
[আর্থিক সাহায্য চেয়ে ফেসবুকে যৌনকর্মীর তকমা জুটল এই ছাত্রীর]
জানা গিয়েছে, অভিমুন্য কুমার নামে ওই যুবকের আদিবাড়ি বিহারে। তবে দীর্ঘদিন ধরেই পরিবারের সঙ্গে পাঞ্চাবের কাপুরথালায় থাকতেন তিনি। অভিমন্যুর বাবা রাম কিশোর পেশায় নাপিত। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে ক্ষৌরবৃত্তি করেন তিনি। অভিমন্যুরা ছয় ভাইবোন। তাদের সঙ্গে থাকে অভিমন্যুর এক তুতো ভাইও। একার রোজগারে এতবড় সংসার চালাতে হিমশিম খান রামকিশোর সিং। তাঁর স্ত্রী রীতা রানি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাত দশটা নাগাদ নিজেই বার্গার কিনে আনেন অভিমন্যু। নিজে হাতেই তিন বোন, এক ভাই ও তুতো ভাইকে বার্গার খেতে দেন তিনি। নিজেও বার্গার খান। এরপর সকলেই ঘোরতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। শুরু হয় বমি। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, অভিমন্যু ও চার ভাইবোনকে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসকরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি তুতো ভাইটি।
[গরিবদের ‘অপমান’ করে নয়া বিতর্কে বসুন্ধরা রাজে সরকার]
জানা গিয়েছে, ঘটনার সময়ে ঘুমিয়ে ছিল অভিমন্যুর আরও এক ভাই ও বোন। তাই নেহাতই বরাতজোরে বেঁচে গিয়েছে তারা। পুলিশ জানিয়েছেন, একটি সুইসাইট নোট রেখে গিয়েছেন অভিমন্যু। তাতে লেখা রয়েছে, আর্থিক কারণে সংসার চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বাবা-মাকে। তাই এ পথ বেছে নিয়েছেন অভিমন্যু।
[হিন্দু রোগী এলেই খুন করব, হুমকি এই ডাক্তারের]